সাম্প্রতিক

র‌্যাবের অভিযানে ২২ টন পচা খেজুর জব্দ

রাজধানীর বাদামতলী থেকে ২২ টন পচা-মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর জব্দ করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার দুপুরে বিএসটিআই ও র‌্যাব-৩ এর সহযোগিতায় বাদামতলী খেজুরের আড়তে অভিযান চালিয়ে এ পরিমাণ পচা খেজুর জব্দ করা হয়। মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর মজুদ ও বিক্রি বন্ধে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় পুরান ঢাকার বাদামতলীর শাহজাদা মিয়া লেনে যান। সেখানে মা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি দোকানের গুদামে কাউকে না পেয়ে দরজায় তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। র‌্যাব দেখতে পায় গুদামে শত শত নতুন ও খালি কার্টন রাখা হয়েছে।পুরনো কার্টনের খেজুরগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, তাই সেগুলো নতুন কার্টনে ঢুকানোর প্রস্তুতি চলছিল।

র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, গুদামের কিছু কার্টনে লেখা ইরাকের ডেট ক্রাউন খেজুর। মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে ২০২০ সালে। তবে কার্টনগুলো খুলে পাওয়া যায় পচা-গলা খেজুর। খেজুরে কিলবিল করছে পোকা। শুধু তাই নয়, অনেক খেজুরের প্যাকেজিংয়ের তারিখ দেয়া ১০ মে, ২০১৯, যা আজ থেকে ৩ দিনের অগ্রিম!

সারওয়ার আলম বলেন,এসব কার্টনের গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ এপ্রিল লেখা থাকলেও এগুলো দেড় বছর আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ।এখানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টিকার ও কার্টন পরিবর্তন করা হয়।

এরপর অভিযান চালানো হয় সেই গুদামের মালিক মো. রুবেলের মা এন্টারপ্রাইজের শোরুমে। সেখানে গিয়ে পুরনো খেজুর নতুন কার্টনে দেখা যায়।এছাড়াও সেখানে একটি খেজুরের গায়ে প্যাকেজিংয়ের তারিখ ১০ মে উল্লেখ করা, যা আসতে আরও ৩ দিন বাকি! তাইয়েবা ডেট ফ্যাক্টরির এসব খেজুরের প্যাকেটে ব্যবহার করা হয়েছে ভুয়া কিউআর কোড।

সারোয়ার আলম বলেন,ব্যবসায়ীরা খেজুরের কার্টনগুলো কেটে ডেট সিরাপ স্প্রে করে।মানহীন এসব খেজুরে স্প্রে ব্যবহার করে খাওয়ার পরদিনই ডায়রিয়া হতে পারে। তিনি বলেন, আগে এসব খেজুর কোল্ড স্টোরেজে (হিমাগারে) রাখা হতো। আমরা সেখানে অভিযান চালিয়েছি। তাই তারা গরমে এভাবে গুদামে খেজুর রেখেছে।