সাম্প্রতিক

তালাকপ্রাপ্তা নারীকে ধর্ষণ, দিগম্বর অবস্থায় ধর্ষক আটক

কুমিলার নাঙ্গলকোটে তালাকপ্রাপ্ত এক সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষক নুরুজ্জামান রাজু উপজেলার আদ্রা উত্তর ইউপির মেরকট গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই গ্রামের উত্তর পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল ধর্ষিতার বাবা বাদি হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় দু’জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে নুরুজ্জামান ধর্ষিতার ঘরে প্রবেশ করে গলা চেপে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ধর্ষিতার চিৎকারে তার ভগ্নিপতি সাফায়েত হোসেন ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে লম্পট নুরুজ্জামান পাশের পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী ওই লম্পটকে দিগম্বর অবস্থায় আটক করে ওই গ্রামের জীবন কৃষ্ণ বাবুর মাছের ঘরে তালা বন্ধ করে রাখে। রাতের কোনো এক সময় লোকজনের চলে যাওয়ার বিষয়টি টের পেয়ে ওই লম্পট ঘরের জানালা ভেঙে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকে নুরুজ্জামানের পরিবারের সদস্যরাও ঘর তালা বন্ধ করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। 
এ বিষয়ে আদ্রা উত্তর ইউপির স্থানীয় ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম গাজী বলেন, রাতে খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় নুরুজ্জামানকে আটক করে জীবন কৃষ্ণ বাবুর মাছের খামারের একটি ঘরে তালাবন্ধ করে রাখা হয়। পরে ধর্ষিতার পরিবারকে খবর পাঠাতে গেলে ওই সুযোগে নুরুজ্জামান ঘরের জানালা ভেঙে পালিয়ে যায়। 

ধর্ষিতার বাবা জানান, আমি ঘটনার দিন রাতে পৌর এলাকার বেতাগাঁও গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাই। খবর শুনে রাত প্রায় ২টার দিকে বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি জানতে পারি। আমি প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। 

নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: নজরুল ইসলাম পিপিএম বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।