সাম্প্রতিক

আলমডাঙ্গায় কর্মসৃজন প্রকল্পের নামে চলছে হরিলুট

কাজ করছে মাত্র ৮ জন শ্রমিক। অথচ ৩১ জন শ্রমিকের নামে ভূয়া মাস্টাররোল তৈরি করে দিন দুপুরে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে কর্মসৃজন প্রকল্পের কয়েক লাখ টাকা। সরেজমিন ঘুরে এমন তথ্যের প্রমাণ পাওয়া গেছে আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গবাড়িয়া ইউনিয়নের খোরদ গ্রামে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গবাড়িয়া ইউনিয়নের খোরদ গ্রামে একটি কর্মসৃজন প্রকল্প চলমান। এ প্রকল্পে প্রতিদিন ৩১ জন শ্রমিকের কাজ করার কথা। কিন্তু কাজ করছে প্রতিদিন মাত্র ৮ জন করে শ্রমিক। গত ২৪ জুন এ প্রকল্পের শ্রমিকরা কাজ করেন স্থানীয় ট্যাংরার মাঠে। গতকাল ২৫ জুন কাজ করে খোরদ গ্রামে। পর পর ২ দিনই মাত্র ৮ জন অর্থাৎ ৪ ভাগের এক ভাগ শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে।
সে সময় এ কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের সর্দ্দার তাঁরা চাঁদের সাথে কথা বলেন দৈনিক মাথাভাঙ্গা পত্রিকার প্রতিনিধি। আমাদের প্রতিনিধিকে তিনি জানান, প্রতিদিন ৮ জনকে নিয়েই কাজ করতে বলেছে এ কর্মসৃজন প্রকল্পের পিআইসির চেয়ারম্যান। তাই তিনি ৮ জন করে লেবার নিয়ে কাজ করেন।
একই কর্মসৃজন প্রকল্পে কর্মরত গৌরিহ্রদের শ্রমিক জলিল ও খোরদ গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, তাদের কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা যে ৩১ জন লেবারের নামে উত্তোলন করা হয়, তারা সকলেই কাজ করে। তবে প্রতিদিন ৮ জন করে। সপ্তায় কাজ হয় ৫ দিন। প্রতি সপ্তায় গড়ে একজন লেবারকে মাত্র ১ দিন কাজ করতে হয়। তারা যে কয়দিন কাজ করেন, সেই কয়দিনের টাকায় পান। বাকী টাকা কী হয় এ প্রশ্নের জবাব দেননি তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শ্রমিক জানান, টাকা সবাই খায়। পাল্টা প্রশ্ন করেন – অফিস, চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি, ব্যাংক কারা খায় না?
মাত্র ৮ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করিয়ে ৩১ জন শ্রমিকের ভূয়া মাস্টাররোল দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মসৃজন প্রকল্পের পিআইসি ইউপি সদস্য গিয়াস উদ্দীন মালিথা বলেন, ৮ জন শ্রমিক নিয়ে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ করার অভিযোগ সঠিক নয়। গতকাল শ্রমিক ছিল ১৪ জন। শেষে এই নম্বর এই প্রতিবেদকের কিনা তা জানতে চেয়ে পরে কথা বলবেন বলে জানান।

x

Check Also

গাংনীতে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-’১৯ অনুষ্ঠিত

গাংনী প্রতিনিধিঃ ‘মাছ চাষে গড়বো দেশ,বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে,বর্ণাঢ্য সড়ক র‌্যালী, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান,আলোচনা সভা ...