সাম্প্রতিক

ব্যতিক্রমী ভোটপ্রচারে প্রিয়াঙ্কার গঙ্গাসফর

সনিয়া-কন্যা গঙ্গানদীকে ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রিয়াঙ্কার এই যাত্রা নিয়ে এমনিতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। গঙ্গা নিয়েই আবার নতুন যুদ্ধ। কারণ পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সেই গঙ্গাতেই নামছেন প্রচার যুদ্ধে।গঙ্গা নিয়েই আবার নতুন যুদ্ধ। কারণ পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সেই গঙ্গাতেই নামছেন প্রচার যুদ্ধে।

গঙ্গা নিয়েই আবার নতুন যুদ্ধ। কারণ পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সেই গঙ্গাতেই নামছেন প্রচার যুদ্ধে। উদ্দেশ্য, উত্তরপ্রদেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি। বারাণসী থেকে প্রয়াগরাজ – এই পথে তিন দিন ধরে প্রচার করবেন তিনি।

যদিও প্রচার শুরুর আগেই উত্তরপ্রদেশের মানুষকে একটি খোলা চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দলের সভাপতি শ্রী রাহুল গান্ধী আমাকে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমার সঙ্গে এই রাজ্যের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। আজ আমি কংগ্রেসের সৈনিক হয়ে আপনাদের সকলকে সঙ্গে নিয়ে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতি বদলে দেব।’ তিনি লিখছেন, ‘উত্তরপ্রদেশের রাজনীতি থমকে গেছে। কারণ মহিলা-শিশু-তরুণ প্রজন্ম-কৃষক-শ্রমিক সকলেই খুব কষ্টে আছেন। তাঁরা তাঁদের দুরবস্থার কথা আমাদের বলতে চান। অথচ শোনার লোক নেই, রাজ্য রাজনীতি তাঁদের জন্য কোনও স্থান নেই, না তাঁদের জন্য কোনও নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।

সনিয়া-কন্যা গঙ্গানদীকে ভারতীয় সংস্কৃতির অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরবেন বলে জানা গিয়েছে। প্রিয়াঙ্কার এই যাত্রা নিয়ে এমনিতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি মাঝের এক মাস উত্তরপ্রদেশে না-যাওয়ায় তা নিয়ে কথাও উঠতে শুরু করেছিল। কিন্তু যখন তিনি আসছেন, তখন সকলকে চমকে দিয়ে আসছেন। অনেকেই মনে করছেন, প্রিয়াঙ্কার এই অভিনব প্রচার মানুষের কাছে তাঁকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলবে।