সাম্প্রতিক

ঝিনাইদহের রাজবাড়ি রিসোর্ট এন্ড পিকনিক কর্ণাারে নারীর নগ্ন মুর্তি মালিককে গ্রেফতারের দাবী !!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ- ঝিনাইদহে কালীগঞ্জের নলডাঙ্গায় রাজবাড়ি রিসোর্ট এন্ড পিকনিক কর্ণাারে নারীর নগ্ন মুর্তি বসিয়ে যুব সমাজের মাঝে নগ্নতা বিষ ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুদর অভিযোগ উঠেছে। ফেসবুকে এই নগ্ন ছবি পোষ্ট করে জেলা প্রশাসকের কাছে নগ্ন নারী মুর্তি ধ্বংস করার জোরালো দাবী উঠেছে। ফেসবুকে সুমন নওয়ানী লিখেছেন, আমার মা আমার বোন স্ত্রী’ও নারী এ লজ্জা দেশের নেতা নেত্রী সকলেরি। ইসলাম জহুরুল লিখেছেন নগ্নতা শৈল্পিকভাবে উপস্থাপন হলে শিক্ষনীয় হতে পারে। কিন্ত এখানে তা হয়নি। কনক রহমান বলেছেন, নারীকে নগ্ন করতে না পারলে এখন আর কোন বিজনেস জমেনা ৷ সবই তথাকথিত নারী অধিকারের অংশ ! সজল বলেছেন খানে কোমলমতি শিশুরা এসে কি শিখে যাচ্ছে ? তারা তাদের পিতা মাতা কিংবা শিক্ষকের সাথে এখানে ব্যাড়াতে এসে এই অর্ধনগ্ন মুর্তিগুলো দেখে বাড়ি ফিরছে ! এতে করে পিতা মাতা অথবা শিক্ষক সবাই কিন্ত তাদের শিশুদের সামনে একটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে, আর একটা কথা হলো , এগুলো কি আমাদের গ্রামবংলার সামাজিক সংস্কৃতির সাথে কতটা মানানসই ? তাই আমরা এখনি এইসব অসামাজিক কুরুচীকর মুর্তিগুলোর দ্রুত অপসারন করার উদ্দ্যোগ নিতে যথাযথ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। রেজা রণি বলেছেন অশ্লীলতা কখনো শিল্প হতে পারেনা। অশ্লীলতাকে পুঁজি করে যারা এসব ঘৃণ্য বাণিজ্যে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাই। জামাল খান বলেছেন আমার কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক হলে এতক্ষণ কখন এসব ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া নির্দেশ দিতেন। যদিও বা ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসকের নজরে গেলে এর একটা বিগীদ করা হতো।আশা করি এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন জেলা প্রশাসক। টিপু সুলতান লিখেছেন এ সব দেখলে কোমল মতি শিশুরা ও বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা নষ্ট হবে। ফলে অশ্লীলতার ছবি কোন ভাবেই প্রকাশ্যে না দেখানো উচিত, বিষয়টি আমাদের ঝিনাইদহের সুনাম ধন্য জেলা প্রশাসক মহোদয়ের শু-দৃষ্টি দেওয়া ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মনে করি।এ সব বাজে ছবি ভেঞ্জে গুড়িয়ে দেওয়া হওক। এ ভাবে বহু মানুষ এই নগ্নতা বন্ধের দাবী তুলেছেন।

জাহিদুর রহমান তারিক
ঝিনাইদহ