সাম্প্রতিক
অতিসামাজিকতা কি আমাদের অসমাজিক করে দিচ্ছে? লেখক-আব্দুল্লাহ আল মামুন
অতিসামাজিকতা কি আমাদের অসমাজিক করে দিচ্ছে? লেখক-আব্দুল্লাহ আল মামুন

অতিসামাজিকতা কি আমাদের অসমাজিক করে দিচ্ছে?

অতিসামাজিকতা কি আমাদের অসমাজিক করে দিচ্ছে? লেখক-আব্দুল্লাহ আল মামুন

অতিসামাজিকতা কি আমাদের অসমাজিক করে দিচ্ছে? লেখক-আব্দুল্লাহ আল মামুন

মানুষ সামাজিক জীব,আর সৃষ্টিকর্তা আমাদের এমন ভাবে তৈরি করেছেন যে আমাদের বেচে থাকার জন্য অন্য মানুষকে প্রয়োজন পড়বেই। ধরুন আপনার মনটা খুব খারাপ,সেটা আর দশটা মানুষের সাথে শেয়ার করুন।দেখবেন একটু হলেও ভাল লাগবে।আবার খুব খুশিতে আছেন।

একা একা সেটা উপভোগ করার চেয়ে পাশে আরো কিছু মানুষকে নিন।দেখবেন খুশিটা শতগুণ বেড়ে গেছে। আর সেই কারনেই হয়ত আমরা এখন আমাদের খুশির কথা, দু:খের কথা ফেসবুকে শেয়ার করি। কাছের মানুষটা ছোট্ট একটা উপহার,বাবার। সাথে একটা সেলফি,সমুদ্রের জলে পা ছোয়ানো কতই না বিষয় আমরা ফেসবুকের কল্যানে কাছের মানুষদের মাঝে ছড়িয়ে নিজেদের খুশিকে বহুগুণ বাড়িয়ে নিই। কিন্তু সেই সাথে সাথে আমাদের মধ্যে খুব বাজে ধরনের অভ্যাস তৈরি হচ্ছে।

ইদানিং আমরা সব কিছুতেই ফেসবুক এর আশ্রয় নিচ্ছি।অতি সামাজিকতা আমাদের অসামাজিক করে তুলছে।আমরা এখন সব কাজ ফেসবুক এর মাধ্যমেই করতে চেষ্টা করছি। স্বামী র সাথে রাগ,বন্ধুর সাথে ঝামেলা,কাছের মানুষটার সাথে অভিমান,আমরা সেটা নিয়ে তার সাথে আলোচনা না করে ইয়া লম্বা লম্বা আবেগময় স্ট্যাটাস লিখতে বসে যায়। অনেকটা আকাশের ঠিকনায় চিঠি লিখো….টাইপের ভাষায় সেই সব স্ট্যাটাস লিখে দিতে পারলেই হল।

নে বাবা… যার জন্য লিখা হল,এবার নে বাবা তুই বুঝে। কিন্তুু এটা না করে আমরা যদি কাউকে কিছু বলতে চাই তবে সরাসরি তাকে বললেই হয়।তা হয়তো সমস্যা র সমাধান হবে। কিন্তু না, আমারা আর কাছের মানুষে সরাসরি কথা না বলে ফসবুকে সাহিত্য চর্চা করি। মানুষ সামাজিক জীব,আর সৃষ্টিকর্তা আমাদের এমন ভাবে তৈরি করেছেন যে আমাদের বেচে থাকার জন্য অন্য মানুষকে প্রয়োজন পড়বেই।

ধরুন আপনার মনটা খুব খারাপ,সেটা আর দশটা মানুষের সাথে শেয়ার করুন।দেখবেন একটু হলেও ভাল লাগবে।আবার খুব খুশিতে আছেন। একা একা সেটা উপভোগ করার চেয়ে পাশে আরো কিছু মানুষকে নিন।দেখবেন খুশিটা শতগুণ বেড়ে গেছে। আর সেই কারনেই হয়ত আমরা এখন আমাদের খুশির কথা, দু:খের কথা ফেসবুকে শেয়ার করি। কাছের মানুষটা ছোট্ট একটা উপহার,বাবার। সাথে একটা সেলফি,সমুদ্রের জলে পা ছোয়ানো কতই না বিষয় আমরা ফেসবুকের কল্যানে কাছের মানুষদের মাঝে ছড়িয়ে নিজেদের খুশিকে বহুগুণ বাড়িয়ে নিই।

কিন্তু সেই সাথে সাথে আমাদের মধ্য খুব বাজে ধরনের অভ্যাস তৈরি হচ্ছে।ইদানিং আমরা সব কিছুতেই ফেসবুক এর আশ্রয় নিচ্ছি।অতি সামাজিকতা আমাদের অসামাজিক করে তুলছে।আমরা এখন সব কাজ ফেসবুক এর মাধ্যমেই করতে চেষ্টা করছি। স্বামী র সাথে রাগ,বন্ধুর সাথে ঝামেলা,কাছের মানুষটার সাথে অভিমান,আমরা সেটা নিয়ে তার সাথে আলোচনা না করে ইয়া লম্ব লম্ব আবেগময় স্ট্যাটাস লিখতে বসে যায়।

অনেকটা আকাশের ঠিকনায় চিঠি লিখো….টাইপের ভাষায় সেই সব স্ট্যাটাস লিখে দিতে পারলেই হল।নে বাবা… যার জন্য লিখা হল,এবার নে বাবা তুই বুঝে। কিন্তুু এটা না করে আমরা যদি কাউকে কিছু বলতে চাই তবে সরাসরি তাকে বললেই হয়।তা হয়তো সমস্যা র সমাধান হবে।

কিন্তুু না, আমারা আর কাছের মানুষে সরাসরি কথা না বলে ফেসবুকে সাহিত্য চর্চা করি। ব্যাপারটা এমন, যে আমার প্রচন্ড টয়লেট এ যাবার প্রয়োজন। আমি রুমের সাথে লাগানো টয়লেট এ না গিয়ে ফেসবুকে লিখতে বসছি। আমার খুব ভয় হয়,আমরা কি ফেসবুকে টয়লেট করার জনগোষ্ঠী তে রূপান্তরিত হচ্ছি?

x

Check Also

ইবোলা ভাইরাসের কারণে কঙ্গোতে মহামারী

২০১৪ সালের ঘটনা। গুজব রটে যে, আফ্রিকাতে অনেককেই ভূতে ধরছে। প্রথমে লোকেদের জ্বর হচ্ছে, আর ...