সাম্প্রতিক

এ বছরই ছাত্র সংসদ নির্বাচন : আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক উৎসবে উপাচার্য

সংসদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ার হোসেন বলেছেন, এ বছরই যবিপ্রবিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডের পরবর্তী সভায় এ নির্বাচন করার জন্য আইনি বিষয়সহ প্রয়োজনীয় সকল বিষয় চূড়ান্ত করার জন্য একটি কমিটিও করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাব আয়োজিত ‘স্বাধীনতা দিবস আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক উৎসব-২০১৯’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বিএসএমআর একাডেমিক ভবনের কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যবিপ্রবি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখনো পর্যন্ত সেখানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ। তাদেরকে একসুতোয় নিয়ে আসার জন্য রিজেন্ট বোর্ডের পরবর্তী সভায় যবিপ্রবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের জন্য আইনি বিষয়সহ প্রয়োজনীয় সকল বিষয় চূড়ান্ত করার জন্য একটি কমিটিও করে দেওয়া হবে।’

এসময় র‌্যাগিংয়ের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। এতে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, তার বিচার হবেই। ছোটরা বড়দের সম্মান করবে। বড়রা ছোটদের স্নেহ করবে। কিন্তু কেউ যদি র‌্যাগিংয়ের পক্ষ নেয়, তাহলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

বিতর্কের বিষয়ে অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিতর্কের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসে। একজন মানুষ যতই জানুক, সেটা যদি তাঁর চিন্তা-চেতনায় তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে জানার কোনো দাম নেই। বিতর্কের মাধ্যমেই একজন তার্কিক নিজেকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারে। বিতর্কের মাধ্যমেই একজন তার্কিক যতটুকু গভীরে যাওয়ার প্রয়াস প্রয়োজন, ততটুকু যেতে পারে। উভয় দলের মধ্যে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির মাধ্যমে দ্বন্দ্বের উদ্ভব হয়। কিন্তু দিন শেষে তাদের মধ্যে আবার নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। এটা শুধু ডিবেটেই সম্ভব।

তিনি বলেন, যবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের অধীনে যে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে, আগামীতে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্থিকসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে গড়ে তুলতে হবে।

যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ফরহাদ করিম সৈকতের সভাপতিত্বে বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আনিছুর রহমান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. এ এস এম মুজাহিদুল হক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো: মীর মোশাররফ হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের সহকারী উপদেষ্টা ফারজানা নাসরীন ও মোহাম্মদ নওশীন আমিন শেখ।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর মেডিকেল কলেজ এবং খুলনার সরকারি ব্রজলাল কলেজের ১২টি দল অংশগ্রহণ করে।

সংসদের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ার হোসেন বলেছেন, এ বছরই যবিপ্রবিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডের পরবর্তী সভায় এ নির্বাচন করার জন্য আইনি বিষয়সহ প্রয়োজনীয় সকল বিষয় চূড়ান্ত করার জন্য একটি কমিটিও করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাব আয়োজিত ‘স্বাধীনতা দিবস আন্তঃ বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক উৎসব-২০১৯’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। বিএসএমআর একাডেমিক ভবনের কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যবিপ্রবি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখনো পর্যন্ত সেখানে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ। তাদেরকে একসুতোয় নিয়ে আসার জন্য রিজেন্ট বোর্ডের পরবর্তী সভায় যবিপ্রবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের জন্য আইনি বিষয়সহ প্রয়োজনীয় সকল বিষয় চূড়ান্ত করার জন্য একটি কমিটিও করে দেওয়া হবে।’

এসময় র‌্যাগিংয়ের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, র‌্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। এতে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, তার বিচার হবেই। ছোটরা বড়দের সম্মান করবে। বড়রা ছোটদের স্নেহ করবে। কিন্তু কেউ যদি র‌্যাগিংয়ের পক্ষ নেয়, তাহলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

বিতর্কের বিষয়ে অধ্যাপক ড. মো: আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বিতর্কের মাধ্যমে সত্য বেরিয়ে আসে। একজন মানুষ যতই জানুক, সেটা যদি তাঁর চিন্তা-চেতনায় তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে জানার কোনো দাম নেই। বিতর্কের মাধ্যমেই একজন তার্কিক নিজেকে যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারে। বিতর্কের মাধ্যমেই একজন তার্কিক যতটুকু গভীরে যাওয়ার প্রয়াস প্রয়োজন, ততটুকু যেতে পারে। উভয় দলের মধ্যে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির মাধ্যমে দ্বন্দ্বের উদ্ভব হয়। কিন্তু দিন শেষে তাদের মধ্যে আবার নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়। এটা শুধু ডিবেটেই সম্ভব।

তিনি বলেন, যবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের অধীনে যে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে, আগামীতে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্থিকসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি এ ধরনের সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে গড়ে তুলতে হবে।

যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ফরহাদ করিম সৈকতের সভাপতিত্বে বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: আনিছুর রহমান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. এ এস এম মুজাহিদুল হক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো: মীর মোশাররফ হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন যবিপ্রবি ডিবেট ক্লাবের সহকারী উপদেষ্টা ফারজানা নাসরীন ও মোহাম্মদ নওশীন আমিন শেখ।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর মেডিকেল কলেজ এবং খুলনার সরকারি ব্রজলাল কলেজের ১২টি দল অংশগ্রহণ করে।