রোগী পৌঁছে ফিরছিলেন—বনপাড়ায় মাইক্রো দুর্ঘটনায় ঘোষবিলার চা–দোকানি আজাদ নিহত

নাটোরের বনপাড়ায় গভীর রাতে মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় আলমডাঙ্গার ঘোষবিলা গ্রামের চা–দোকানি আজাদ খন্দকার (৪৫) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে মাইক্রোতে থাকা রবিউল ইসলাম (৪৫) ও চালক শিলন (৪২) গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। সেখানে চিকিৎসক আজাদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুজনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চালক শিলনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আইসিইউতে রাখা হয়েছে।
নিহত আজাদ খন্দকার জামজামি ইউনিয়নের ঘোষবিলা গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে। তাঁর জামজামি বাজারে একটি চায়ের দোকান ছিল। আহত রবিউল ইসলাম একই গ্রামের মৃত আসমান আলীর ছেলে এবং চালক শিলন একই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে।
গ্রামবাসীরা জানান, সোমবার রাতে প্রসব–সংক্রান্ত জটিলতায় গ্রামের এক নারীকে স্থানীয় কয়েকজন মিলে কুষ্টিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান আজাদ, রবিউলসহ সঙ্গীরা। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রোগীকে রাজশাহীতে রেফার করা হয়। রোগীকে পৌঁছে দিয়ে সবাই গভীর রাতে বাড়ির পথে রওনা দেন। রাত ২টার দিকে বনপাড়ার কাছে পৌঁছে মাইক্রোবাসটি চালকের ঘুমঘোরে রাস্তার পাশের একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে গাড়িটি দুমড়ে–মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা রাতেই বড়াইগ্রামে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। পরে মরদেহ গ্রামে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। দুপুরে গ্রামের কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
নিহত আজাদ খন্দকার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক কন্যাসহ স্বজনদের শোকের মাঝে রেখে গেলেন।











