আকস্মিক বিদায়ে স্তব্ধ আলমডাঙ্গা—লিপন আর ফিরবেন না

পাড়ার মানুষের বিপদে যার দৌড় ছিল দ্রুত, যিনি হাসিমুখে সবার মন জিততেন—সেই প্রাণোচ্ছল তরুণ নেতাই হঠাৎ থেমে গেলেন। দিন বদলের স্বপ্ন দেখানো রাজনীতির মিছিলে যার উপস্থিতি আশাহত মানুষকে নতুন সাহস দিত, সেই মাসুদ পারভেজ লিপন (৪৭) না–ফেরার দেশে চলে গেলেন।
গতকাল ২৫ নভেম্বর দুপুর ২টার দিকে ব্রেন স্ট্রোকে তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
লিপন আলমডাঙ্গা পৌর শহরের কলেজপাড়ার প্রয়াত ব্যাংকার সানোয়ার হোসেন মোল্লার ছোট ছেলে ও ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। শিক্ষিত, মার্জিত আর ভদ্র স্বভাবের জন্য এলাকায় তাঁর ভালো নাম ছিল।
দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে লিপন ছিলেন দ্বিতীয়। চলে যাওয়ার সময় তিনি রেখে গেছেন মা, ভাইবোন, স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য আপনজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী।
লিপনের আকস্মিক মৃত্যুতে আলমডাঙ্গা যেন কিছু সময়ের জন্য থমকে দাঁড়ায়। স্বজনদের কান্নায় সন্ধ্যার হাওয়া আরও ভারি হয়ে ওঠে।
রাত ৮টা ৩০ মিনিটে জানাজা শেষে আলমডাঙ্গা দারুস সালাম ময়দানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন—
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের এমপি প্রার্থী শরিফুজ্জামান শরিফ, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পিটু, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন, পৌর বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান পিন্টু, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ওল্টু, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস, আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির সভাপতি আরেফিন মিয়া মিলন, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মীর উজ্জ্বল, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক নাজিমুদ্দিন প্রমুখ।
মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন বড় ভাই, পৌর বিএনপির নেতা মকলেছুর রহমান মিলন।











