২৩শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মহেশপুর আবাসন প্রকল্পের মেরামত কাজের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ

প্রতিনিধি :
শরিফুল ইসলাম রোকন
আপডেট :
নভেম্বর ২৩, ২০২০
44
বার খবরটি পড়া হয়েছে
শেয়ার :
| ছবি : 


স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহের মহেশপুরে একটি আবাসন প্রকল্পের মেরামত ঠিকাদারী কাজ টেন্ডারে অনিয়ম করার অভিযোগ উঠেছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কাজটি করানো হচ্ছে। অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়নের মুক্তাঙ্গন আবাসন প্রকল্পের মেরামতের জন্য ১৫ লাখ টাকা বিদেশী দাতা সংস্থা জাইকা বরাদ্ধ দেয়।

নিয়ম অনুযায়ী কাজটির জন্য স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হয়। কিন্তু এসব কোন নিয়ম না মেনে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিনা টেন্ডারে মেসার্স মোঃ মনিরুল ইসলাম খাঁন নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে কাজটি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন অন্যান্য ঠিকাদাররা। মেসার্স প্রভা এগ্রো, মেসার্স সোহাগ হার্ডওয়ার ও মেসার্স বিশ্বাস এন্টার প্রাইজসহ কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ, মহেশপুর এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কমকর্তাদের সাথে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের যোগসাজস রয়েছে। যার কারনে তাদের বিনা টেন্ডারের কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগণ এই অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত দাবী করেন।

একই ভাবে গত ২মাস আগে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের রাজস্বখাত এডিপির অর্থায়নে রাস্তা খøাট সলিং কাজের ৮০ লক্ষ টাকা যেনতেনভাবে কাজ করে ভাগ বাটোয়ারা করে নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে কাজ পাওয়া ঠিকাদার মোঃ মনিরুল ইসলাম খাঁন জানান, ঘুর্ণিঝড় আম্পানে আবাসন প্রকল্পের ৩টি সেট এর উপরে টিন, বেড়া,দরজা,জানালাসহ এ্যাংগেল পর্যন্ত উড়ে গেছে। তড়িঘড়ি করে আবাসনের মেরামত কাজ শুরু করা হয়েছে। এখানে কোন বিজ্ঞপ্তি না দিলেও চলে। তবে বিধি অনুযায়ী উপজেলা এলজিইডি অফিস আমাকে টেন্ডার নোটিশ দিয়েছেন। এরপর আমি টেন্ডারে অংশগ্রহন করে কাজটি পেয়েছি।

মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাশ্বতী শীল বলেন, টেন্ডার কমিটি করেই কাজটি দেওয়া হয়েছে। এটা কমিটিই বলতে পারবে কাজটি কিভাবে ঠিকাদার পেল। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও কমিটির উপদেষ্টা ময়জুদ্দিন হামিদের সাথে। তিনি জানান কাজটি দেওয়ার ব্যাপারে আমি অবগত নয়। এসম্পর্কে দায়িত্বে থাকা উপজেলা এলজিইডির সহকারী প্রকৌশলী শহীদ আরেফিন জানান,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাশ্বতী শীল স্যার যে নির্দেশ দিয়েছেন আমরা সেটি করতে বাধ্য হয়েছি। স্যারের নির্দেশের বাইরে তো আমরা কিছুই করতে পারিনা এবং করারও কিছু থাকে না।

সর্বশেষ খবর
menu-circlecross-circle linkedin facebook pinterest youtube rss twitter instagram facebook-blank rss-blank linkedin-blank pinterest youtube twitter instagram