সাম্প্রতিক

লিপস্টিক ব্যবহারে মেয়েদের বুদ্ধি কমে যায়!

নারীর ঠোঁটের সৌন্দর্য বাড়াতে লিপস্টিকের জুড়ি নেই। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে,‘লিপস্টিক ব্যবহারে মেয়েদের বুদ্ধি কমে যেতে পারে। কারণ, লিপস্টিকে থাকে ক্ষতিকারক সীসা; যা মানুষের বুদ্ধি, আচরণ ও শেখার ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।’

নারীর সৌন্দর্যচর্চায় লিপস্টিক একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। যতোই সাজগোজ করা হোক না কেন, লিপস্টিক ছাড়া নারীর সাজগোজটা যেন অপূর্ণই থাকে। কিন্তু লিপস্টিক ব্যবহারেও সাবধান হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। কেননা গবেষণায় দেখা গেছে, লিপস্টিক ব্যবহারে মেয়েদের বুদ্ধি কমে যেতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা ঠোঁট রাঙানোর পণ্যটি নিয়ে ওই গবেষণা চালান। তাদের গবেষণা প্রতিবেদন সম্প্রতি পরিবেশ বিষয়ক জার্নাল এনভায়রনমেন্টাল হেলথ পারসপেকটিভে প্রকাশিত হয়। অকল্যান্ডের ১২ জন তরুণীর ২২টি ব্র্যান্ডের লিপস্টিক ও লিপগ্লস সংগ্রহ করে ওই গবেষণাটি চালানো হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, লিপস্টিকে থাকে ক্ষতিকারক সীসা; যা মানুষের বুদ্ধি, আচরণ ও শেখার ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আর ওই ২২ ব্র্যান্ডের মধ্যে ১২টির লিপস্টিক ও লিপগ্লসে সীসার উপস্থিতি পাওয়া যায়।

গবেষকরা আরও বলেন, লিপস্টিকে খুব কম মাত্রার সীসা ব্যবহার করা হয়; কিন্তু সামান্য পরিমাণ সীসাও মানুষের বুদ্ধি ও আচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়াও এটি মানসিক স্থিতির উপরেও খারাপ প্রভাব ফেলে। বিশেষত গর্ভবতীরা সীসাযুক্ত লিপস্টিক ব্যবহার করলে গর্ভজাত সন্তানের ওপর খারাপ প্রভাব পরতে পারে।

২০১০ সালে আমেরিকার ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ এর এক গবেষণায়ও লিপস্টিকে অতিমাত্রায় সীসা পাওয়া যায়। তবে আগের তুলনায় বর্তমানে লিপস্টিকে অনেক কম পরিমাণ সীসা ব্যবহার হয় বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা বলেন, লিপস্টিক বা লিপগ্লস ব্যবহারের আগে এর উপাদান সম্পর্কে ভাল করে জেনে নেয়া উচিত।

আপনার মন্তব্য লিখুন

error: Content is protected !!