সাম্প্রতিক

মান্নার কথোপকথন নিয়ে মন্ত্রিসভায় হাসি-ঠাট্টা

 নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার কথোপকথন প্রসঙ্গ মন্ত্রিসভার আলোচনায় এসেছে। তবে এটাকে খুব সিরিয়াসভাবে না নিয়ে বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভায় হাসি-ঠা্ট্টা হয়েছে।

সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ প্রসঙ্গটি তুলেন বেশ কয়েকজন মন্ত্রী। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মন্ত্রী  বলেন, “মন্ত্রিসভার বৈঠকে এক মন্ত্রী এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেন। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।”
প্রসঙ্গত, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার কথপোকথনের একটি অডিও টেপ ফাঁস হয়েছে। যেখানে এই দুই নেতাকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে শোনা গেছে। আন্দোলন চাঙ্গা করে সরকারকে বিএনপির দাবি মানতে বাধ্য করতে প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লাশ’ ফেলার কথা বলেছেন সাবেক ছাত্রনেতা মান্না।
মান্না বলেন, ঢাকার বাইরে আমাদের অবস্থান দুর্বল। ঢাবিতে দুই তিনটি হল দখল করে অবস্থান শক্ত করতে হবে। সরকারকে ফেলতে হলে পেট্রোল বোমার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণ্ডগোল পাকিয়ে ২/৩টি লাশ ফেলে দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করতে যে ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা দরকার সেটাই করতে হবে। ঢাবির ২/৩টি হল দখল করে অবস্থান শক্ত করতে হবে। এমন পরিবেশ তৈরি করলে বিদেশিরা সরকারকে সংলাপে বসতে আরো চাপ সৃষ্টি করবে। এতে পরিস্থিতি আমাদের অনুকুলে চলে আসবে। দুই শীর্ষ নেতার ২৭ মিনিটের টেলিফোন আলাপে এসব কথাই বলা হয়েছে। টেলিফোনে আলোচনাকারী দুই নেতার একজন বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং অন্যজন দেশেই আছেন।
একটি গোয়েন্দা সংস্থা অতি সম্প্রতি কথোপকথনটি রেকর্ড করেছে। ইতোমধ্যে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে রেকর্ডের কপি পৌঁছে দেয়া হয়েছে।