সাম্প্রতিক

খালেদার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সময়ের আবেদন নাকচ এবং জামিন বাতিল করে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের।

মামলার অপর যে দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হচ্ছেন- মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।
রাজধানীর বকশিবাজারে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালতে দুর্নীতির মামলা দু’টির বিচার চলছে। বুধবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশিদের অসমাপ্ত সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হন সাক্ষী।
এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর সর্বশেষ আদালতে হাজির হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ওইদিন তার আদালতে যাওয়াকে ঘিরে রাস্তায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর পর মামলার বেশ কয়েকটি তারিখ নির্ধারণ হলেও খালেদা জিয়া নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে আদালতে যাননি। প্রতিটি তারিখেই তার পক্ষে সময়ের আবেদন করা হয়।

আজ বুধবারও বিশেষ জজ আদালতে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর হাজির হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তিনি হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন নাকচ এবং জামিন বাতিল করে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। হরতাল-অবরোধের কারন দেখিয়ে গত বেশ কয়েকবার আদালতে হাজিরা দেয়া থেকে বিরত থাকেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

এ বিষয়ে খলেদার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, এই আদালতের প্রতি আমাদের কোনো আস্থা নেই। এছাড়া তাঁর নিরাপত্তাও প্রশ্নবিদ্ধ।এর আগে যখন তিনি আদালতে আসেন তখন দফায় দফায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো থেকে শুরু করে গোলাগুলি হয়। ফলে আমরা সময়ের আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আাদালত তা নাকচ করে ওয়ারেন্ট জারি করেছে।
আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে তা আমরা পরে আলোচনা করে জানাবো। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ভাই কি বলবো যেখানে বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বালুর ট্রাক, সিমেন্টের ট্রাক দিয়ে সরকার অবরুদ্ধ করে রাখে। আমাদেরকে তাদের সঙ্গে দেখা করতে দেন না। সেখানে সবকিছুই সম্ভব।আমরা আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিবো।