সাম্প্রতিক

মেয়েকে খুন করে প্রেমিকের হাত ধরে উধাও ‘মা’!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- নিজের মা জড়িয়ে পড়েছিল পরকীয়ায়। বাড়িতে একাধিক পুরুষের আনাগোনা শুরু হয়েছিল। এমন ঘটনা মেনে নিতে পারেনি মেয়ে। মায়ের কাজকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। আর মেয়ের এমন প্রতিবাদে রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে শেষ অবধি তাকে খুন করেছে মা।

সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের বর্ধমানের কালনার মন্তেশ্বর এলাকায়। মন্তেশ্বরের মামুদপুর গ্রামে মা ও মেয়ে থাকত। সেখানেই মেয়েকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ, মেয়েকে খুন করে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছে অভিযুক্ত মহিলা। পুলিশ অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ, ওই মহিলা পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। মায়ের এই বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক মানতে না পেরে মেয়ে প্রতিবাদ জানালে তাকে প্রথমে শারীরিক অত্যাচার করা হয়। পরে একপর্যায়ে মেয়েকে খুন করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন গ্রামবাসী। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক মহিলার খোঁজে তল্লাশি চলছে, যেখানেই থাকুক খুব দ্রুত গ্রেফতার হবে।

আরও পড়ুন-

১৪ বছরের ছাত্রী এখন ‘মা’!, সন্তান জন্ম দিলো আবাসিক স্কুলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- সরকারি আবাসিক স্কুলে কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুল ছাত্রী। এ ঘটনায় এক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একইসঙ্গে বহিষ্কার করা হয়েছে ছয় কর্মীকে।

ভারতের ওড়িশার কান্ধামাল জেলায় অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রী গত শনিবার রাতে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে। এ খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিক চারুলতা ভৌমিক।

সদ্য মা হওয়া ওই ছাত্রীর দাবি, সন্তান প্রসব করায় তাকে এবং তার সন্তানকে হোস্টেল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। উপায় না পেয়ে সন্তান নিয়ে সে জঙ্গলে থাকতে বাধ্য হয়েছে। এরপর রোববার সকালে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ।

হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মা-শিশু দুজনেই এখন সুস্থ আছে।

এদিকে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছে রাজ্য সরকার। বিভাগীয় মন্ত্রী রমেশ মাঝি জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষ করে বিস্তারিত রিপোর্টও জমা দিতে হবে।

মন্ত্রী জানান, এ ঘটনায় কলেজের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় বরখাস্ত হওয়া ছ’কর্মীর পরিচয়ও জানান তিনি।

“এদের মধ্যে আছে দুই রাঁধুনি এবং একজন মহিলা আধিকারিক। শুধু তাই নয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাধারানি ডানিয়েলকে সাসপেন্ড করার সুপারিশও জমা পড়েছে।”