সাম্প্রতিক

মধ্য রাতের আলমডাঙ্গা

মধ্য রাতের আলমডাঙ্গা

মধ্য রাতের আলমডাঙ্গা

মধ্য রাতের আলমডাঙ্গা

মধ্য রাতের আলমডাঙ্গা

আজ ৩১শ্রাবণ। রাত ১২টা ২৬ মিনিট। খেচরের মতন আমরা দুজন মানে আমি ও বাউল আতিক বিশ্বাস। রাত্রি বিহারে বের হয়েছি। মধ্যরাতের আলমডাঙ্গার ইতিবাচক ও নেতিবাচকতা স্বচক্ষে দেখতেই আমাদের এই রাত্রিবিহার। আতিক ডাক্তার সিগারেটে অগ্নিসংযোগ করলেন বেশ মুন্সিয়ানা প্রদর্শন করে। তারপর ঠোটে চেপে মোটরসাইকেল স্ট্যাট করলেন। আজকের রাতের সজল হাওয়ায় আমাকে বেশ ভাবালুতা পেয়ে বসেছে। গুনগুনিয়ে গাইতে গাইতে মোটরসাইকেলের পেছনে সওয়ার হলাম।

“কাহারই তরে কেন ডাকে/’পিয়া পিয়া’ পাপিয়া।/বঁধু বুঝি পরদেশে/(হায়) আছে ভুলিয়া।।

বুঝি বা আসিবে বলে/ওগো প্রিয়া তারই গেছে চলে/নিঠুর শ্যামেরই সম/পায়ে দলিয়া।।”

১৯৩৫ সালে এই নজরুল সঙ্গীতটি পিলু-বারোয়াঁ রাগে রেকর্ডিং করা হয়। প্রথম শিল্পী ছিলেন কমলা ঝরিয়া।

কেন যেন শ্রাবণ রাতে এই নজরুল সঙ্গীতটি আমার বুকের গভীর তলদেশে গুমরিয়ে গুমরিয়ে ফিরছে। “কাহার তরে” বুকের গহীনে অগোচরে জমে আছে এত ক্রন্দনরোল? তেমন কেউ কি ছিল কোন দিন? এসব ভাবতে চাইনে। সচেতনভাবেই ভাবতে চাইনে। “ কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে।“এটি জীবননান্দ দাশের সোনালী ডানার চিল কবিতার পঙতি। আমিও হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসিনে মোটেও। এমনিতে এ হৃদয় হাজার ক্ষতের জ্বাজল্য নিয়ে ভীষণ কষ্টে। কেউই হৃদয় খুঁড়ে বেদনা যাপন করতে চায়না। তবুও বর্ষার সম্মোহন বড় বেপরোয়া। বড়ই লুব্ধক সে! প্রায় ৮শ বছর আগের কবি মীর তকী মীর। তার একটা বিখ্যাত কবিতার পঙতি মনে পড়ে গেল,” কী যে সুখে নখের আঁচড়ে কলিজা কেটেছি পূণর্বার।“ আসলে প্রেমিক হৃদয়ে চিরন্তন হাহাকার পুঞ্জীভূত থাকে। অনুকুল সময় পেলে চরাচর ব্যপ্ত করে সে হাহাকার দুর্বার , অনিরুদ্ধ স্রোতের মত বের হয়ে আসে। সে হাহাকারের কাছে “জগত সংসার মিছে সব। মিছে জীবনের কলরব।” প্রেমিক হৃদয় নখের আঁচড়ে কলিজা ক্ষতবিক্ষত করে চলে। অঝরে বর্ষণ আর আত্মাহুতির দহনবেদন যেন বড্ড সমান্তরালে ঝরে।

প্রথমে কালিদাসপুর সাদা ব্রীজে গিয়ে বসেছি। এখানে, মোড়ের উপর একটি চুরিপ্রবণ দোকান রয়েছে। কয়েকমাস পূর্বে ওই দোকানে চুরি হলেও আজোবধি সে চুরির রহস্য উন্মোচিত হয়নি।

ব্রীজের মাঝামাঝি বসেছি। দুপাশে কুমার নদের জলরাশির যৌবনদীপ্ত বিস্তার। তার জলোজ সমীরণ শরীর মনে প্রশান্তির পরশ  বুলিয়ে দিচ্ছে। আহ নদী মাতৃক বঙ্গজননী! মাঝে মধ্যেই মেঘের নেকাব সরিয়ে চন্দ্রিমা তার চাঁদবদন সরসীর আরশীতে দেখে নিচ্ছে চুপিসারে এই গহন রাতে। যেন “ চাঁদ হেরিছে চাঁদ মুখ তার সরশীর আরশীতে।” চারিধার কী নিস্তব্ধ নিরব! এই নিস্তব্ধতারও একটা ভাষা আছে। রসের রশিকের মত প্রকৃত বোদ্ধারা রাতের নিস্তব্ধতার ভাষার পাঠোদ্ধার করে নিতে পারেন। নিকষ অন্ধকার রাতের নিস্তব্ধতার ভাষার পাঠোদ্ধারে সামর্থের কাহিনি শুনেছিলাম একবার মুক্তিযোদ্ধা কাজী কামালের নিকট। মুক্তিযুদ্ধের সময়কার। তবে আমি পারিনে। আমার শুধু মনে হয় – “ অনেক কথা যাও যে বলে কোন কথা না বলি।” তাই সে ভাষা বোঝার আশা জলাঞ্জলি দিয়েই এখন এখান থেকে উঠতে হবে। যেতে হবে লালব্রীজের সমান্তরাল নতুন যে ব্রীজ সেখানে।

এ ব্রীজটিকে আমি সমান্তরাল বা যমজ সৌন্দর্য বলে অভিহিত করি। মাঝে মধ্যে এ ব্রীজ প্রকম্পিত করে ওভারলোড ট্রাকগুলি ছুটে চলছে। রাতের নিস্তব্ধতা বিদীর্ণ করে কোন কোন ট্রাক কুষ্টিয়া আবার কোনটি চুয়াডাঙ্গা অভিমুখে ছুটে চলছে। নিদারুণ এক শূণ্যতা ঘুর্ণির বেগে বুকের তলদেশ থেকে দীর্ঘশ্বাস হয়ে বের হয়ে আসছে। বেদনার বিসন্ন মেঘে ঢেকে আছে যেন আমার চরাচর। এ বাদল বাতাসে যেন মুহুর্মুহু শূণ্য জীবনের অর্থহীনতার আহাজারি উসকে দিয়ে যাচ্ছে। প্রাচীন জার্মান দার্শনিক বলেছেন – “ যা নেই তার চে’ সুন্দর আর নেই।” ঠিক তেমনি জীবনে যা নেই, তা ছাড়া যেন পৃথিবীতে সব কিছুর অস্তিত্ব অর্থহীন। কিন্তু সে মহামূল্যবান পরশ পাথর যে এ জীবনে আর ফিরে পাবে না ক্ষ্যাপা। কোন কালে কোন ক্ষ্যাপাই পায়নি। এ নির্মম সত্য মেনে নিতে হৃদয়ের সকল তন্ত্রী ছিড়ে যায়। বিশ্ব চরাচর বড় রিক্ত, বড় শূণ্য মনে হয়। রক্তাক্ত হয় হৃদয়ের কন্দর। নজরুলের এই গানটিতে যেন সেই বেদনা লুটিয়ে পড়ছে।

“ ফিরিয়া এসো এসো হে ফিরে, /বঁধু এ ঘোর বাদলে নারি থাকিতে একা।/ হায় গগনে মনে আজই মেঘের ভিড়/ যায় নয়নজলে মুছে কাজললেখা॥/ ললাটে কর হানি কাঁদিছে আকাশ, /শ্বসিছে শনশন হুতাশ বাতাস,/ তোমারই মতো ঝড় হানিছে দ্বারে কর,/ খোঁজে বিজলি তোমারই পথ-রেখা॥/ মেঘেরে শুধাই তুমি কোথায়, কাঁদন আমার বাতাসে মিলায়/ ঝড়ের নুপুর পরে রাঙা পায়/ মোর শ্যামল সুন্দর দাও দেখা ।।”

হৃদয়ের রক্তিম হাহাকার শূণ্যে মিলিয়ে যাচ্ছে। ফিসফিসিয়ে বৃষ্টি ঝরছে। বৃষ্টির চে’ বাতাসের বেগ তীব্র। এ যেন শ্রাবণের অঝোর বর্ষণ না, ভাদ্র-আশ্বিনের ঝড়ো বৃষ্টি। এ সজল শ্রাবণ সমীরণ যেন বিরহ উগরে দিচ্ছে। বর্ষার এ সর্বগ্রাসি বিরহবেদন, শূণ্য হৃদয়ের অতলান্তিক হাহাকার থেকে নিস্কৃতি পাননি আদিযুগ থেকে মধ্যযুগ, মধ্যযুগ থেকে আধুনিক, আধুনিক থেকে উত্তরাধুনিক যুগের কোন কবিই। বর্ষার একান্ত অনুসঙ্গ যেন বিরহ যাতনা। এ দুয়ের দহনবেদন যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে মানব জীবনে।  কালিদাস ‘মেঘদূত’ কবিতায় রামগিরি পর্বতের ওপারে নির্বাসিত যক্ষের শূন্য ও একাকী জীবনে ‘মেঘ’কে দূত করে পাঠিয়েছেন যক্ষপুরীতে প্রিয়ার কাছে। বর্ষা-কেন্দ্রিক গানে নজরুল কালিদাসের মেঘদূতকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু অসাধারণ সঙ্গীত রচনা করেছেন। যেমন, ১. যাও মেঘদূত দিও প্রিয়ার হাতে আমার বিরহলিপি লেখা কেয়া-পাতে।/ আমার বিরহলিপি লেখা কেয়াপাতে। ” ২. “পরদেশী মেঘ যাওরে ফিরে/ বলিও আমার পরদেশীরে।।/সে দেশে যবে বাদল ঝরে/ কাঁদে না কি প্রাণ একেলা ঘরে,/বিরহ-ব্যাথা নাহি কি সেথা/বাজে না বাঁশী নদীর তীরে।।/বাদল রাতে ডাকিলে “পিয়া পিয়া পাপিয়া”/বেদনায় ভ’রে ওঠে না কি রে কাহারো হিয়া?/ফোটে যবে ফুল ওঠে যবে চাঁদ/জাগে না সেথা কি প্রাণে কোন সাধ?/দেয় না কেহ গুরু গঞ্জনা/ সে দেশে বুঝি কুলবতী রে।।“

চণ্ডিদাস বর্ষাকে হিসেব করেছেন প্রেমোবহ্নিতে ঘৃতের অনুষঙ্গ হিসেবে। তিনি লিখেছেন :

‘এঘোর রজনী মেঘের ঘটা কেমনে আইল বাটে/আঙিনার মাঝে বধুয়া ভিজিছে দেখিয়া পরাণ ফাটে।’

বর্ষার কৃষ্ণ কালো রূপ আর মানবের মনের অতলে জমে থাকা যুগান্তরের বিরহের রুপ যেন একাকার হয়ে যায়। বর্ষার অঝর বেদন যেন মানবের অন্তরের বিরহ বেদন একে অপরের পরিপূরক। চণ্ডিদাসের মতো পঞ্চদশ শতকের মৈথলী কবি বিদ্যাপতির রচনায়ও বিরহ বেদনার কমতি নেই। বিদ্যাপতিও যেন বর্ষায় বুকের ভেতরে আগলে রাখা যাতনাকে তাই প্রকাশ করেছেন ভরা ভাদরের বেদনার্ত রূপের সঙ্গে মিল করে :

‘এ সখি হামারি দুখের নাহি ওর-/ এ ভরা ভাদর মাহ বাদর/শূন্য মন্দিরও মোর।’

বিদ্যাপতির বিরহের কবিতায় বর্ষা ও বিরহ একাকার হয়ে গেছে। এ যেন মানব চিত্তের চিরন্তন হাহাকার। বিদ্যাপতির নিকট বর্ষা এসেছে রাধিকার প্রেমকে উসকে দিতে। বিশেষ করে অভিসার আর বিরহ পর্বে এ বর্ষা যেন প্রেমানলে ঘৃতের ছিটা। বৃষ্টির বর্ষণের সঙ্গে সঙ্গে রাধার কণ্ঠে বেজে উঠেছে- “এ সখি হামারি দুখের নাহি ওর।/ এ ভরা বাদর মাহ বাদর/শূন্য মন্দির মোর।“ -(বিদ্যাপতি)। একই যন্ত্রণা মূর্ত হয়ে উঠেছে অতুল প্রসাদের সংগীতেঃ- “বঁধুয়া নিদ নাহি আঁখিপাতে।/আমিও একাকী, তুমিও একাকী আজি এ বাদল রাতে।।/ডাকিছে দাদুরী মিলনতিয়াসে ঝিল্লি ডাকিছে উল্লাসে।/পল্লীর বধু বিরহী বঁধুরে মধুর মিলনে সম্ভাষে।/আমারো যে সাধ বরষার রাত কাটাই নাথের সাথে।।/গগনে বাদল, নয়নে বাদল জীবনে বাদল ছাইয়া;/এসো হে আমার বাদলের বঁধু, চাতকিনী আছে চাহিয়া।/কাঁদিছে রজনী তোমার লাগিয়া, সজনী তোমার জাগিয়া।/কোন্ অভিমানে হে নিঠুর নাথ, এখনও আমারে ত্যাগিয়া?/ এ জীবন ভার হয়েছে অবহ, সঁপিব তোমার হাতে।।“

এখানে বৃষ্টির জল যেন ভবিতব্য হয়ে রাধার চোখের জল হয়ে ঝরে পড়ছে। নজরুলের গানের মত “ বঁধু আমি ছিনু বুঝি বিন্দাবনে রাধিকার আঁখিজলে।”

এবার এখান থেকে উঠতে হবে। স্টেশন এলাকায় যেতে হবে। ডাক্তার আতিকও ঝিম ধরে সিগারেট ফুকছে।

          রাত প্রায় দেড়টা। স্টেশন ছাড়িয়ে রেল ফোকটের পাশের চায়ের দোকানের বেশ কয়েকটি চালা। এটি আমাদের অস্থায়ি আস্তানা এখন। কয়েক মাস পূর্বেও এ অঞ্চল ছিল অপরাধপ্রবণ। মাদকের শক্ত ঘাটি। কিন্তু থানা অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আলমডাঙ্গাকে বলা চলে মাদকমুক্ত শহর। গোটা উপজেলায় মাদকমুক্ত কম-বেশী। নির্দিধায় এখানে সারা রাত কাটানো যেতে পারে।

এখানেও ফাঁকা জায়গায় বাদল রাতের বাদলা হাওয়া ব্যাকুল করে তুলছে হৃদয়। নজরুল ছেড়ে এবার রবীন্দ্রনাথে নিমজ্জন এ হৃদয় বীণা!

‘এমন দিনে তারে বলা যায়/এমন ঘনঘোর বরিষায়-/এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে/ তপনহীন ঘন তমসায়।

সে কথা শুনিবে না কেহ আর,/ নিভৃত নির্জন চারিধার।/ দুজনে মুখোমুখো গভীর দুখে দুখি,/ আকাশে জল ঝরে অনিবার-/জগতে কেহ যেন নাহি আর।/ সমাজ সংসার মিছে সব,/মিছে এ জীবনের কলরব।/ কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে/হৃদয় দিয়ে হৃদি অনুভব-/ আঁধারে মিশে গেছে আর সব।’

কী বলা যায়? কাকে বলা যায়? ভুল সবই ভুল! বড্ড বিভ্রম!

এক বর্ষণমুখর দিনে শিলাইদহে বসে রবীন্দ্রনাথ তাঁর স্ত্রী মৃণালিনী দেবীকে এক চিঠিতে লিখলেন- ‘সমস্ত আকাশ অন্ধকার করে নিবিড় হয়ে জমে এসে বৃষ্টি আরম্ভ হল- আমার নীচের ঘরের চারদিকে শার্সি বন্ধ করে বসে বসে ‘মেঘদূত’র উপর প্রবন্ধ লিখছি। প্রবন্ধের উপর আজকের এই নিবিড় বর্ষার দিনের বর্ষণমুখর ঘনান্ধকারটুকু যদি এঁকে রাখতে পারতুম, যদি আমার শিলাইদহের সবুজ ক্ষেতের উপরকার এই শ্যামল আবির্ভাবটিকে পাঠকদের কাছে চিরকালের জিনিস করে রাখতে পারতুম তাহলে কেমন হত! কি অনায়াসেই জল স্থল আকাশের উপর এই নির্জন মাঠের নিভৃত বর্ষার দিনটি। এই কাজকর্ম ছাড়াই মেঘে ঢাকা আষাঢ়ের রৌদ্র মধ্যাহ্নটুকু ঘনিয়ে এসেছে।”  আহ বর্ষার কী মোহন রূপের বর্ণনা! কী মদির চিত্রকল্প! প্রকৃতিতে লাস্যময়তার সঙ্গে মানব মনেও প্রেমের জোয়ার আনে বর্ষা। সেই জোয়ারে ভাসতে ভাসতেই কবিরা তাদের কবিতায় প্রকাশ করেন প্রেমের ব্যাকুলতা। শুধু প্রেম বিরহে নয় কবিদের কবিতায় বর্ষা এসেছে কখনো প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ননায় কখনোবা শৈশব- কৈশোরের স্মৃতিময় নস্টালজিয়ায়। বর্ষা তাই অবিমিশ্র প্রেমের অনুঘটক, কামনা-বাসনা ও আকুলতার এক সরব ও শাণিত ভাষাচিত্র।

রাত দুটোর সীমানা অতিক্রম করে চলেছে। বাড়ি ফিরতে হবে। ডাক্তার আতিককে তাগাদা দিতেই মন্থর গতিতে উঠে গাড়ি স্ট্যার্ট দিলেন। সামনে এগিয়ে যেতেই বটগাছ। বটগাছ বরাবর একটা সোমত্ত মেয়ে, সাথে ২জন ছেলে হনহনিয়ে আমাদের অতিক্রম করল।

আকাশজুড়ে মেঘের ঘনঘটা। থেমে থেমে বিজলী চমকাচ্ছে। সহসা দৃষ্টি ছাপিয়ে বৃষতি নামতে পারে।

“মেঘের ডমরু ঘন বাজে।/বিজলি চমকায়/ আমার মনছায়,/মনের ময়ূর যেন সাজে॥/ সঘন শ্রাবণ গগন-তলে/ রিমি ঝিমি ঝিম্ নবধারা জলে,/ চরণ-ধ্বনি বাজায় কে সে — /নয়ন লুটায় তারি লাজে॥/ ওড়ে গগন-তলে গানের বলাকা,/ শিহরণ জাগে উজ্জ্বল পাখা।/ সুদূরের মেঘে অলকার পানে/ ভেসে চ’লে যায় শ্রাবণের গানে,/ কাহার ঠিকানা খুঁজিয়া বেড়ায় — /হৃদয়ে কার স্মৃতি রাজে॥“( নজরুল সঙ্গীত)।

( পোস্টটি দিতে বেশ দেরি করে ফেলেছি। সেজন্য দুঃখিত)।

 রহমান মুকুল

সম্পাদক

সাম্প্রতিকী ডট কম

আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা।

২ টি মন্তব্য

  1. আলমডাঙ্গা শহর নিয়ে লেখা বেশ ভালো লেগেছে

  2. এরকম লেখা আরও চাই। আলমডাঙ্গাকে এভাবে উপস্থাপনার মাধ্যমে তার রূপ ও রস নিসৃত হয়েছে। ধন্যবাদ লেখককে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

error: Content is protected !!