সাম্প্রতিক
শেষ পর্যন্ত পুলিশের খাচায় বন্দি এখন আলমডাঙ্গার গড়গড়ির চিহ্নিত প্রতারক নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজু
শেষ পর্যন্ত পুলিশের খাচায় বন্দি এখন আলমডাঙ্গার গড়গড়ির চিহ্নিত প্রতারক নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজু

শেষ পর্যন্ত পুলিশের খাচায় বন্দি এখন আলমডাঙ্গার গড়গড়ির চিহ্নিত প্রতারক নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজু

 শেষ পর্যন্ত পুলিশের খাচায় বন্দি এখন আলমডাঙ্গার গড়গড়ির চিহ্নিত প্রতারক নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজু

শেষ পর্যন্ত পুলিশের খাচায় বন্দি এখন আলমডাঙ্গার গড়গড়ির চিহ্নিত প্রতারক নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজু

শেষ পর্যন্ত পুলিশের খাচায় বন্দি এখন আলমডাঙ্গার গড়গড়ির চিহ্নিত প্রতারক নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজু। পরোকীয়া প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলমান গৃহবধুকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ের জাল কাবিন করা এবং প্রতারণার মাধ্যমে দীর্ঘ ২ বছর ধর্ষণের অভিযোগে পান্না খাতুন নামের এক অন্তঃস্বত্তা মহিলার এজাহারের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে আটক করেছে।
লিখিত এজাহার মারফত জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার পোলতাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে পান্না খাতুনের (২৫) ২০১০ সালে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর ভৈরবা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে নাসির হোসেনের সাথে। তাদের দাম্পত্যে এক সন্তানের জন্ম। নাম সাগর। সাগরের বয়স এখন ৬ বছর। প্রায় আড়াই বছর আগে সাগরের বয়স তখন মাত্র সাড়ে ৩ বছর। তখন পান্না খাতুন একদিন আলমডাঙ্গা মুন্সিগঞ্জ এলাকার গড়গড়ি গ্রামে তার খালুর বাড়ি বেড়াতে যায়। সেখানেই দেখা হয় পাশের বাড়ির হিন্দু সম্প্রদায়ের মৃত চিত্ত সূত্রধরের ছেলে নারায়ণ সূত্রধরের (২৬) সাথে। নারায়ণ সূত্রধর একাকায় বাটপার হিসেবে পরিচিত বলে জানা যায়। একপর্যায়ে সে কৌশলে পান্না খাতুনের মোবাইলফোন নং জেনে নেয়। শুরু হয় মোবাইলফোনে প্রেমালাপ। মাত্র ৬ মাসের মধ্যে তাদের প্রেমের জমকালো পর্যায়ের সৃষ্টি হয়। নারায়ণ মুসলমান হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে বিয়ে করতে প্রস্তাব দেয়। তার প্রস্তাবে সাগ্রহে রাজি হয়ে পান্না খাতুন স্বামীকে তালাক দেয়। প্রায় ২ বছর পূর্বে নারায়ণ সূত্রধর মুসলমান হয়েছে দাবি করে তার বর্তমান নাম রাজু রেখেছে বলে পান্না খাতুবনকে জানায়। এক পর্যায়ে তারা দুজনই বাড়ি ছেড়ে যশোরে পাড়ি জমায়। সেখানে রাজুর এক পরিচিত ব্যক্তিকে ভূয়া কাজী সাজিয়ে জাল বিয়ের কাবিননামা তৈরি করে নারায়ণ ওরফে রাজু। সেখানে কিছুদিন অবস্থানের পরে তারা আলমডাঙ্গা শহরে বিভিন্ন স্থানে ভাড়ায় বসবাস করে। প্রথমে হিজড়া পাড়ায়, পরে কোর্টপাড়ায় ও বাবুপাড়ায়। একপর্যায়ে গত ডিসেম্বর মাসে পান্না খাতুন আন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে বলে দাবি করে। এরপর থেকে নারায়ণ ওরফে রাজুর আচরণ বদলে যেতে থাকে। সে আর পান্না খাতুনের সাথে এক ঘরে বসবাস করা বন্ধ করে দেয়। জেনে যায় তাদের বিয়ের কাজী ছিল ভূয়া ও কাবিননামাও জাল। এমনকি নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজু ধর্মান্তরিতও হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়ায়। প্রতারিত পান্না খাতুন থানায় এ সংক্রান্ত এজাহার দায়ের করে। এরই ভিত্তিতে পুলিশ গতকাল বুধবার নারায়ণ সূত্রধর ওরফে রাজুকে গ্রেফতার করেছে। আজ বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হতে পারে।