সাম্প্রতিক

মুজিবনগরে ব্যাবসায়ীকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত

মেহেরপুর প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলা শিবপুর গ্রামের আমজাদ হোসেন (৪৮) কে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত ও ১লক্ষ টাকাসহ মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শিবপুর গ্রামের আপে গাজীর ছেলে সাজিদুল ও ওয়াদ্দেস গাজীর ছেলে খলিলসহ১২-১৪ জনের বিরুদ্ধে । একই সাথে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত আমজাদ হোসেন শিবপুর গ্রামের খোদা বক্স এর ছেলে। তিনি ঢাকাতে গার্মেন্টসের ব্যাবসা করেন। তিনি বর্তমান মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার সময় এ ঘটনা ঘটে। আহত আমজাদ হোসেনের পিটে ও বুকে আহতের দাগ রয়েছে।
আহত আমজাদ হোসেন জানান, আমি সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে শিবপুর ব্রীজের পাশে একটি বেঞ্চিতে জিয়া বুলবুলকে জমির টাকা দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ টাকা নিয়ে বসেছিলাম । শিবপুর গ্রামের আপে গাজীর ছেলে সাজিদুল ও ওয়াদ্দেস গাজীর ছেলে খলিলসহ, রাজ্জাক, তাহাজউদ্দিন, রুহুল, জিনারুল, লাল্টু, নিহারুল, উজ্জল, জয়েল, ইজা গাজী, আসাগাজী, মনিরুল মিলে প্রায় ১২-১৪ লোক এসে আমাকে কোন কথা না বলেই রড, ইট দিয়ে বেধরক মারপিট শুরু করে। তিনি আও বলেন
কি অপরাধে আপনাকে মারপিট করলো এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে আমার ভাগ্নে জামাই হাফিজুর রহমান ও তার ছোট আজমল শেখের সাথে তাহাজ উদ্দিনের রাস্তায় খড়ি রাখা নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছিল। এ বিষয়ে আমি মুুিজবনগর থানার ওসির সাথে কথা বলেছিলাম। ওসি সাহেব বলেন সবাইকে নিয়ে একটি সমাধান করে ফেলেন। ঠিক সেই সময়ে আমাকে মারপিট শুরু করে। তিনি আরও বলেন আগে বিভিন্ন প্রোগ্রামে আমি টাকা পয়সা দিয়ে সহযোগী করতাম। এখন আর দিইনি বলে হিংসামূলক ভাবে আমার উপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এক পর্যায়ে মাঠের দিকে টেনে নিয়ে যায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে আমাকে মাঠে রেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে এলাকার লোকজন এসে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় আহত মুজিবনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও রবিবার আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।
তাহাজ উদ্দিনের ভাই আপে গাজীর ছেলে সাজিদুল জানান, কয়েকদি আগে আমার চাচা তাহাজ উদ্দিনের সাথে রাস্তায় আইরির খড়ি রাখা নিয়ে হাফিজুলের সাথে ঝামেলা হয়। আর এই ঘটনায় আমজাদ হোসেন লিড দিয়ে আমার চাচাকে মারধর করে। টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়ের তিনি বলেন আমরা কোন টাকা বা মোবাইল নেইনি। এট সম্পূর্ণ মিধ্যা কথা।
মুজিবনগর থানার ওসি আব্দুল হাশেম জানান, ঘটনাটি শুনেছি। এখনো পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ আসেনি । অভিযোগ আসলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করব।