সাম্প্রতিক

ভ্রাম্যমাণ আদালতে বরের ১ মাসের কারাদন্ডাদেশ ও কনের মামার আর্থিক জরিমানা

আলমডাঙ্গার জামজামিতে বাল্যবিয়ের আয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বরের ১ মাসের কারাদন্ডাদেশ ও কনের মামার ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহি অফিসার গভীর রাতে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
জানা যায়, আলমডাঙ্গার জামজামি গ্রামের গোলাম রসুলের ছেলে ইটভাটা শ্রমিক আবুল কাশেম (১৯)। তিনি প্রথম স্ত্রীকে সম্প্রতি তালাক দেন। এরপর আবুল কাশেমের বিয়ে ঠিক হয় রেলজগন্নাথপুর গ্রামের আকরাম হোসেনের ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে শেফালী খাতুনের সাথে। শেফালীর অভিভাবকরা শিশুকন্যার বিয়ে দিতে রাজি রাজি ছিল না। পরে শেফালীর খালু জামজামি গ্রামের মৃত আজিবর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমানের পিড়াপীড়িতে বিয়ে চূড়ান্ত হয়। গতকাল সোমবার ছিল বিয়ের নির্ধারিত দিন। ওইদিন ৭ম শ্রেণির ছাত্রী শেফালী খাতুনকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয় জামজামি খালুর বাড়ি। গভীর রাতে বিয়ের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় ৩ নেতার তত্বাবধানে এ বিয়ের সব প্রস্তুতি চলছিল। ঘটনাটি জানার পর আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহি অফিসার রাহাত মান্নান গভীর রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সে সময় তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বর আবুল কাশেমকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করেন। একই সময় কনের মামা কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার নরহরদিয়া গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে ঠান্ডু মালিথাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। কনের খালুর প্রতিবেশি মৃত শাখাওয়াতউল্লাহর ছেলে রমজানকে পুলিশ আটক করলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। কনের খালু মিজানুর রহমান ও স্থানীয় ৩ নেতা অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায়।