সাম্প্রতিক
জীবননগর জননী ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে গৃহবধুর মৃত্যু ।

জীবননগর জননী ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে গৃহবধুর মৃত্যু ।

জীবননগর জননী ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে গৃহবধুর মৃত্যু ।

জীবননগর জননী ক্লিনিকে ভুল অপারেশনে গৃহবধুর মৃত্যু ।

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা)প্রতিনিধি(৩-৩-১৭)ঃ
জীবননগর ভুল অপারেশনে এক গৃহবধুর মৃত’্যর অভিযোগ উঠেছে ।জানা গেছে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের সাড়াবাড়িয়া গ্রামের মুসা বারীর স্ত্রী তানিয়া খাতুনকে (২০)সিজারের জন্য জীবননগর জননী ক্লিনিকে ভর্তি করা হলে সিজার অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন ।এদিকে এ মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় প্রচার হলে হাজারো মানুষ এ ক্লিনিকে ভিড় জমাতে থাকে । এ ঘটনা ঘটার পর থেকেই ক্লিনিকের মালিক মান্নান এবং ডাক্তার এটি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন । এদিকে নিহত পরিবারের অভিযোগ তারা সকালে ক্লিনিকে তাদের মেয়ে সিজারের জন্য ভর্তি করলে । ক্লিনিকের মালিক তাদের কিছু না বলেই কোন কাগজ পত্রে সই না করিয়েই জীবননগর হাসপাতালের ডাঃ হেদায়েত বিন সেতুর দিয়ে অপারেশন করে ।অপারেশনের পরেই নার্সরা তাদেরকে বলেন ,তোমাদের মেয়ে একটি মেয়ে সন্তান জন্ম দিয়ে মারা গেছে ।রোগীর পরিবারের অভিযোগ তাদেরকে কিছু না জানিয়ে কেন অপারেশন করল । এদিকে একটি সুত্রে জানা গেছে জীবননগর বেশির ভাগ ক্লিনিকে যে সমস্থ ডাক্তারগুলো অপারেশন করে । তারা প্রতি ঘন্টাই প্রায় ৫ থেকে ৭টি অপারেশন করে থাকে ।যার ফলে প্রতিনিয়িত এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে অনেকে অভিযোগ করছে । তা ছাড়া জীবননগর যে সমস্থ ক্লিনিক গুলো আছে তাতে নেই কোন অভিঙ্গ নার্স আছে রুম পরিষ্কার আয়া তাদেরকে দিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে থাকে বলে যানা গেছে ।এমনকি ক্লিনিক গুলোর যে অবস্থা তাতে রোগীতো দুরে থাক সুস্থ মানুষ ক্লিনিকগুলোই গেলে অল্প সময়ের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়বে । তা ছাড়া জীবননগর বাজারে ব্যাঙ্গেও ছাতার মত ক্লিনিক গড়ে উঠেছে ,অনেকের নেই কোন সরকারী অনুমোদন আবার যে সমস্থ ক্লিনিক গুলোর অনুমোদন আছে তার মধ্যেও অনেক ক্লিনিক মালিকের লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীন্ন হয়ে পড়ে আছে এগুলো যেন দেখার কেউ নেই ।এত সমস্য থাকলেও কতৃপক্ষের যেন নেই কোন মাথা ব্যাথা যার ফলে ডাক্তারদের কাছে রোগীদের জীবন যেন একটি খেলার পুতুল হয়ে পড়েছে ।এ ব্যাপারে ডাঃ হেদায়েত বিন সেতুর সাথে মুটো ফোনে কথা বলার জন্য চেষ্ঠা করা হলে তিনি ফোনটি রিসিপ করেননি ।অন্যদিকে জননী ক্লিনিকের মালিকের সাথে কথা বলার জন্য ক্লিনিকে গেলে তিনাকে পাওয়া যায়নি পরবতীতে মুটো ফোনে তিনার সাথে কথা বলার জন্য একাধিকবার ফোন দিলেও তিনিও ফোনটি রিসিপ করেননি ।##