সাম্প্রতিক
চাঁদাবাজি মামলা তুলে না নেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়ার শরিফুল- শরিয়তগংদের বিরুদ্ধে
চাঁদাবাজি মামলা তুলে না নেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়ার শরিফুল- শরিয়তগংদের বিরুদ্ধে

চাঁদাবাজি মামলা তুলে না নেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়ার শরিফুল- শরিয়তগংদের বিরুদ্ধে

চাঁদাবাজি মামলা তুলে না নেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়ার শরিফুল- শরিয়তগংদের বিরুদ্ধে

চাঁদাবাজি মামলা তুলে না নেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়ার শরিফুল- শরিয়তগংদের বিরুদ্ধে

চাঁদাবাজি মামলা তুলে না নেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মামলার বাদীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আলমডাঙ্গার ছত্রপাড়ার শরিফুল, লালন, শরিয়তগংদের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
এজাহারসূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে ও নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছত্রপাড়ার আক্কাস আলী-ওহাব পক্ষ ও শরিফুল-শরিয়ত পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সম্প্রতি আক্কাস আলী ও ওহাব আলীর নিকট তাদের প্রতিপক্ষ মৃত হবিবর জোয়ার্দ্দারের ছেলে শরিফুল, ঝড়ু জোয়ার্দ্দারের ছেলে শরিয়ত, বদরের ছেলে ইসলাম চাঁদা দাবি করে। এ ঘটনায় আক্কাস আলী ও আব্দুল ওহাব প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে। এ মামলা দায়েরের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষরা পুনরায় দাবিকৃত  চাঁদার টাকার অংক আরও বাড়িয়ে দেয়। এ নিয়ে ২ পক্ষের মত উত্তেজনা বিরাজ করছিল। গতকাল শুক্রবার সকালে মৃত ফকির মন্ডলের ছেলে আব্দুল ওহাব ও আক্কাস আলী আলমডাঙ্গা শহরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে মৃত লস্কর আলীর ছেলে খেদ আলীর চা’র দোকানে চা খেতে বসেন। সে সময় প্রতিপক্ষরা টের পেয়ে রড, শাবল ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলে পড়ে। তারা প্রতিপক্ষ ২ ভাইকে পিটিয়ে জখম করে। আব্দুল ওহাব রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। এব্যাপারে আব্দুল ওহাবের ছেলে আকতার হোসেন বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে আলমডাঙ্গা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।