সাম্প্রতিক
 গরুব্যবসায়ির টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের মিথ্যা নাটকের নেপথ্য উন্মোচিত
 গরুব্যবসায়ির টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের মিথ্যা নাটকের নেপথ্য উন্মোচিত

 গরুব্যবসায়ির টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের মিথ্যা নাটকের নেপথ্য উন্মোচিত

 গরুব্যবসায়ির টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের মিথ্যা নাটকের নেপথ্য উন্মোচিত

গরুব্যবসায়ির টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের মিথ্যা নাটকের নেপথ্য উন্মোচিত

আলমডাঙ্গার বন্ডবিল-ফরিদপুর মাঠে গরুব্যবসায়ির টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগের মিথ্যা নাটকের নেপথ্য উন্মোচিত হয়েছে। শরিক ব্যবসায়িকে জব্দ করতেই থানায় ও সাংবাদিকের নিকট মিথ্যা অভিযোগ করার বিষয়টি স্বীকার করলেন অভিযোগকারি নিজেই।

জানাগেছে, আলমডাঙ্গার ফরিদপুর গ্রামের জুড়োন মালিথার ছেলে গরুব্যবসায়ি শাহজাহান মালিথা। তিনি গত ৬ মার্চ ডুগডুগির বাজারে গরু বিক্রি করে এক শরিক ব্যবসায়ি ও ৩ গরুর রাখালের সাথে বাড়ি ফিরছিলেন। সন্ধ্যার পর রাত ৮টার দিকে তারা আলমডাঙ্গা পৌর সীমান্তস্তম্ভের পাশে গাড়ি থেকে নামেন। পরে সেখান থেকে মাঠের নির্জন রাস্তা হয়ে ফরিদপুরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ফরিদপুর গোরস্থানের নিকট পৌঁছলে কতিপয় অজ্ঞাত ব্যক্তি ২ জন রাখালকে গাছের সাথে বেঁধে শাহজাহানের নিকট থেকে ৪ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে শাহজাহান মালিথাকেও গাছের সাথে বেঁধে রাখে। শাহজাহান মালিথা এই ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় যান লিখিত অভিযোগ করতে। সে সময় সাংবাদিকদের সাথেও কথা বলেন। এ ছিনতাইয়ের সাথে তার শরিক ব্যবসায়ি পোয়ামারি গ্রামের আজিবরের ছেলে ইয়াদুল হক ও খেজুরতলা গ্রামের রাখাল রওশন আলী জড়িত বলে অভিযোগও করেন।

গতকাল ৮ মার্চ যথারীতি এ সংক্রান্ত সংবাদ দৈনিক মাথাভাঙ্গাসহ অন্যান্য কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে গতকাল সন্ধ্যায় গ্রামের কয়েকজনকে নিয়ে শাহজাহান মালিথা পত্রিকা অফিসে উপস্থিত হন। তিনি সাংবাদিকদের নিকট উপরোক্ত টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ মিথ্যা ছিল বলে স্বীকার করেন। বলেন, কতিপয় ব্যক্তির পরামর্শে শরিক ব্যবসায়িকে জব্দ করতেই তিনি সাংবাদিকদের নিকট মিথ্যা অভিযোগ করেন। এমনকি থানায় যান মিথ্যা মামলা দায়ের করতে। বিষয়টি এখন সালিশ করে মীমাংসা করে নিয়েছেন বলে জানান।  এদিকে, পার্টনারকে জব্দ করতে ছিনতাইয়ের মিথ্যা অভিযোগ তোলায় শাহজাহান মালিথার বিরুদ্ধে এলাকায় নিন্দার ঝড় উঠেছে।