সাম্প্রতিক
আলমডাঙ্গা শহরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্র
আলমডাঙ্গা শহরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্র

আলমডাঙ্গা শহরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্র

আলমডাঙ্গা শহরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্র

আলমডাঙ্গা শহরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্র

আলমডাঙ্গা শহরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বিকাশের টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক চক্র। প্রতিদিনই এ প্রতারক চক্র বিকাশ এজেন্টের দোকানে মোবাইল করে টাকার হাতিয়ে নিচ্ছে। গতকাল বুধবার আলমডাঙ্গা হাইরোডের দু এজেন্টের কাছে মোবাইল করে বিকাশের ঢাকা প্যারাগন অফিসের পরিচয় দিয়ে অফারের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের একাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেবার চেষ্টা করে। তারা অফিসে ফোন করে বিষয়টি টের পেলে প্রতারনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
জানা গেছে, আলমডাঙ্গার হাইরোডের রাকিব টেলিকমের বিকাশ এজেন্ট এমদাদুল হক লিটনের কাছে একটি নম্বর থেকে জনৈক ব্যক্তি নিজেকে ঢাকা প্যারগন অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফোন করে। ওই ব্যক্তি জানায়, কোম্পানী এখন থেকে এজেন্ট থেকে এজেন্টে টাকা পাঠানোর একটা অপসন চালু করেছে। সুবিধা নিতে কয়েকটি নম্বর চাপতে বললে লিটন মিয়ার সন্দেহ হয়। তিনি তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করলে ফোন কেটে দেয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই পাশের সোহাগ টেলিকমের সুমনের কাছে চুয়াডাঙ্গা অফিসের বিটুবি নম্বর ০১৭৮৩-৭০৭২৮৫ থেকে ফোন করে বলা হয়, ঢাকা থেকে অফারের বিষয়ে ফোন দেবে আপনি কথা বলেন। এর কিছুপরে অন্য অরেকটি রবি নম্বর থেকে ফোন দিয়ে অফারের বিষয় জানিয়ে অপসন চালু করার জন্য নম্বর চাপতে বলা হয়। সুমন পাশের এজেন্ট লিটনের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালে তিনি চুয়াডাঙ্গা অফিসের অন্য নম্বরে ফোন দেন। চুয়াডাঙ্গা থেকে জানানো হয়, বিটুবি (মাদারসিম) অনেক আগেই অফিসে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। প্রতারক চক্র হয়তো নম্বর ক্লোন করে ফোন দিয়েছে। এ সময় ওই দুজন প্রতারকদের ফাঁদে পা না দিলে প্রতারনার হাত থেকে রক্ষা পায়।
এদিকে আলমডাঙ্গায় একের পর এক বিকাশের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। গত কয়েকদিনে এমন বেশ কয়েকজন প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে টাকা খুইয়েছেন।