সাম্প্রতিক

গাংনীতে বীমা কোম্পানীগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ

গাংনীতে বীমা কোম্পানীগুলোর বিরুদ্ধে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।বীমার দাবী পূরণে নানা অযুহাত দেখিয়ে গড়িমসি ও টালবাহানা করা হচ্ছে। জানা গেছে, বীমা কোম্পানীগুলো ২০০৪-০৫ ইং সালের দিকে একযোগে নানা নামে বিশেষ করে নামের সাথে ইসলামী বীমা যোগ করে যেমন ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং. লিঃ,ইসলামী ডিপিএস, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স,হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং, লিঃ, গ্রীন লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ, ট্রাষ্ট ইসলামী ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ বীমার কাজ শুরু করে।এসব বীমা কোম্পানী একক ক্ষুদ্র ও বড় বীমা শুরু করে।জানা গেছে, নানা প্রলোভনে এসব বীমা কোম্পানীগুলো লক্ষ না কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গড়িমসি করছে। গ্রামে গ্রামে মাঠকর্মী নিয়োগ দিয়ে আকষর্ণীয় অফার দিয়ে বীমা গ্রাহক তৈরী করতে থাক্।ে বীমার নির্ধারিত ১০ বছর মেয়াদ (অর্থ্যাৎ মেচ্যুউরিটি পূর্ণ ) শেষ হলেও অনেকেই অফিসে মাসের পর মাস ঘুরেও দাবীকৃত টাকা না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে। ইতেমধ্যে সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স গাংনী থেকে অফিস গুটিয়ে বর্তমানে কুষ্টিয়াতে চলে গেছে। ইচ্ছা থাকলেও গ্রামের অসহায় এবং অশিক্ষিত মানুষ বীমার টাকা নিতে কুষ্টিয়াতে যেতে পারছে না। অফিসে প্রতিদিন অসংখ্য বীমা গ্রাহক আসলেও শাখা ব্যবস্থাপকরা তাদের সাথে অসদাচরণ করে তাড়িয়ে দেয়। এদিকে পপুলার লাইপ ইন্সুরেন্স এর গ্রাহক চক কল্যাণপুরের নাজমা খাতুন জানান, আমি বীমার মেয়াদ শেষে প্রায় দেড় বছর যাবৎ অফিসে ঘুরছি। কিন্তু নানা অযুহাতে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে।পপুলার লাইফ ইন্সুরেন্স এর শাখা ব্যবস্থাপক ফেরদৌস ও মখলেচ এর সাখে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। একইভাবে গাংনী থানা পাড়া রোডে ফারইষ্ট লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানীর অফিসে বীমার বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা সমন্বয়কারী আলাউদ্দীন ওরফে বাবলু প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি। তিনি জানান, একক ক্ষুদ্র বীমার টাকা মেয়াদ শেষে আস্তে আস্তে দেয়া হচ্ছে। তবে বীমার চুক্তি অনুযায়ী লভ্যাংশ না দিয়ে মূল টাকার সাথে শতকরা পঞ্চাশ ভাগ লাভসহ টাকা দেয়া হচ্ছে। মৃত্যুদাবীর চেক ঠিকমত দেয়া হচ্ছে। গাংনীতে সব বীমা কোম্পানী মিলে প্রায় বিশ হাজার গ্রাহক রয়েছ্। এব্যাপারে বীমা কোম্পানীর শাখা ব্যবস্থাপক গণ জানিয়েছেন, বীমা আইনের জটিলতার কারনে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। গ্রাহকদের দেয় টাকা ও নানা ভাবে যাচাই বাছাই করতে কিছুটা সময় লাগছে। অল্পদিনের মধ্যে দাবীকৃত টাকা পরিশোধ করা হবে। এব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন বীমা গ্রাহকগণ।

x

Check Also

আলমডাঙ্গায় পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য সংগ্রহ প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গা পৌর আওযামী লীগের উদ্যোগে নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ জুলাই ...