সাম্প্রতিক
মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আলমডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক বয়স্ক সারব্যবসায়ির মৃত্যুঃ চালক আহত
মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আলমডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক বয়স্ক সারব্যবসায়ির মৃত্যুঃ চালক আহত

মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আলমডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক বয়স্ক সারব্যবসায়ির মৃত্যুঃ চালক আহত

মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আলমডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক বয়স্ক সারব্যবসায়ির মৃত্যুঃ চালক আহত

মসজিদ থেকে বাড়ি ফেরার পথে আলমডাঙ্গায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক বয়স্ক সারব্যবসায়ির মৃত্যুঃ চালক আহত

বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আলমডাঙ্গায় এক বয়স্ক সারব্যবসায়ির মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।এ সময় মারাত্মক আহত হয়েছে ঘাতক মোটরসাইকেলটির বেপরোয়া চালক। গতকাল সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়ির সামনে এ প্রাণঘাতি দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গার জহুরুলনগর গ্রামের মৃত বুদুই মন্ডলের ছেলে আব্দুল গণি (৬৮) ৮০’র দশকে ব্যবসার তাগিদে আলমডাঙ্গা শহরে আসেন। কলেজপাড়ায় স্থায়িভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি আলমডাঙ্গা আনন্দধামের বিশিষ্ট সারব্যবসায়ি। অন্যান্য দিনের মত গতকাল সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ পড়তে যান নিজ মহল্লার বাড়ির সামনের মসজিদে। নামাজ শেষে বাড়ির পথে হাঁটা শুরু করেন। বাড়ির সামনে গিয়ে সড়ক পার হচ্ছিলেন। সে সময় প্রচন্ড গতিতে ছুটে আসা এ্যাপাচি আরটিআর মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে প্রচন্ড জোরে ধাক্কা দেয়। তিনি সড়কের উপর ছিটকে পড়লে মাথায় প্রচন্ড চোট পান। অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হারদীস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত উপসহকারি মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আবুল কালাম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, দূর্ঘটনায় জড়িত মোটরসাইকেলচালক চুয়াডাঙ্গা বিআরটিএ’র অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর আলমডাঙ্গা কলেজপাড়ার বাসিন্দা আতিয়ার রহমানের ছেলে সোহাগও (২২) সড়কের উপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে বলে জানা যায়।

এদিকে, এলাকার অনেকেই আলমডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স’র বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তোলেন। তাদের দাবি – দুর্ঘটনাটি একেবারে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে সঙ্ঘটিত হয়। আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল এ সংস্থাটির। অথচ তারা অ্যাম্বুলেন্স না নিয়ে সেকেন্ড কল নামক সাধারণ গাড়িতে করে আহতকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ফলে অ্যাম্বুলেন্সে যত দ্রুত নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল, হাসপাতালে পৌঁছতে তার চে’ অধিক সময় অতিবাহিত হয় বলে অভিযোগকারিদের মন্তব্য।

নিহত আব্দুল গণি একজন নিখাদ ভদ্রলোক ছিলেন বলে মহল্লাবাসি জানান। এক ছেলে ও ৩ মেয়ের জনক ছিলেন তিনি। ছেলে আব্দুর রশিদ বিদেশি সংস্থার কর্মকর্তা। মেয়ে ৩টি বিবাহিত। ছোট মেয়ে স্বপরিবারে কানাডা প্রবাসি।

আজ বুধবার সকালে আলমডাঙ্গা দারুস সালাম প্রাঙ্গণে জানাযা শেষে মরহুমের লাশ দাফন করা হবে বলে পরিবারসূত্রে জানা গেছে।

 

 

x

Check Also

সহযোগিতা ছাড়া পৃথিবীতে কোন মহৎ ও বৃহৎ কাজ করা সম্ভব না- আলমডাঙ্গার ইউএনও

মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানীয় সন্মানীত ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভা করলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার সদ্য যোগদানকারি নির্বাহি ...