সাম্প্রতিক

চুয়াডাঙ্গার চিৎলায় অপহরণের নয় ঘন্টার মাথায় উদ্ধার

শাহাদাৎ হোসেন লাভলু : চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের নওদা হাঁঁপানিয়া কবর স্থানের পাশ থেকে গতপরশু শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে, অপহরণ করেছে। শরিফের পরিবার থেকে জানাগেছে, চিৎলা রুইতনপুর গ্রামের সরদার পাড়ার মৃত মকছেদ আলী মন্ডলের ছেলে শরিফ হোসেন (৩৫) সে শুক্রবার সকালে নিজ বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা দেয় নওদা হাঁঁপানিয়া গ্রামের কবরস্থানে পাশে থেকে একই গ্রামের কুদ্দুস আলীর ছেলে শাহিন ও মনিহার হোসেনের ছেলে আরিফ হোসেন সেখান থেকে তাকে আটক করে, চার কিলো মিটার মাঠের ভিতর দিয়ে শাহিনের বাড়িতে এনে ঘরে আটকিয়ে রাখে, চার লক্ষ টাকা চাঁদার দাবি করে । বিষয়টি, জানাজানি হলে শরিফের পরিবার থেকে বড়গাংনী বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেয়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থালে উপস্থিত হয়ে শহিনের ঘর থেকে শরিফ কে উদ্ধার করে। এবং শহিন ও আরিফ হোসেন কে পুলিশ ধরে নিয়ে আসে, বড়গাংনী বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে। এবিষয়ে বড়গাংনী বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি তুহিনুজ্জামান শাহিন ও আরিফ হোসেন কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা বলেন, আমাদের দুজনকে শরিফ বিদেশে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত দেড় বছর আগে ৮ লক্ষ টাকা নিয়েছে, কিন্তু আমাদের দুজন কে একাধিক বার ঢাকাতে নিয়ে গিয়েছে মেডিকেল করিয়েছে, আর বার বিদেশে নিয়ে যাওয়া কথা বলে ভুগান্তি দিচ্ছে, এবিষয়ে আমরা মামলা করছি। পরে তিনি আমাদের টাকা ফেরত দিবে বলে বার বার সময় নিয়ে গ্রামে আসে, তার সময় শেষ হওয়ার আগে সে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়, এবার আমরা শরিফকে নজরে রেখেছি সে কোথায় যায়,শুক্রবারে যখন শরিফ তার বাড়ি থেকে পালিয়ে যাচ্ছিলো তখন আমরা দুজন মিলে তাকে নওদা হাঁঁপানিয়া কবরস্থানে কাছ থেকে ধরে নিয়ে এসে শাহিনের বাড়িতে রেখেছি, আমাদের পাওনা টাকা আদায় করার জন্য। বড়গাংনী বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রেয় তিনি শিকার করেন, পরে শরিফের বোনায় নান্দবার গ্রামের আব্দুর কুদ্দুস সেখান থেকে টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শরিফ কে নিয়ে আসে। এবং শহিন ও আরিফ হোসেনের নামে কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের পরিবারে কাছে পৌঁছিয়ে দেয় হয়েছে।