সাম্প্রতিক

বিলুপ্তির দিকে যে সৌন্দর্য বেরিয়া গাছ

 

এই ফুল আমি দেখেছি ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের পাশ দিয়ে বেশ কয়েকটা। তবে প্রথম দেখেছি একে ঢাকা ভার্সিটির টিএসসির সামনে বুদ্ধনারিকেল গাছের ডান পাশে ২টা । এছাড়া মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে আছে চার পাঁচটি ।  সাধারণত বর্ষায় এই গাছে গুচ্ছাকারে সাদা সোনালি হলুদ মিশেলের ফুল ফোটে। পাতার গড়নের দিক থেকে দেখতে অনেকটা বুদ্ধনারিকেলের মতোই। হ্যাঁ বন্ধুরা এদের নাম বেরিয়া। তবে নিশ্চয় নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এগুলো আমাদের দেশি গাছ নয়। অনেক আগেই এরা এই দেশে এসেছে। এইবার আমরা জানি এই বেরিয়া হলো পাটগোত্রীয় গাছ। সব মিলিয়ে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি। বেরিয়া মধ্যমাকৃতির পত্রমোচি বৃক্ষ। কা সরল, উন্নত, ধূসর প্রায় মসৃণ। শাখা ঊর্ধ্বমুখী, পাতাগুলো মোটামুটি বড় কিছুটা পানপাতার আকৃতি, লম্বা ডাটা। থাকে কয়েকদিন। মূলত নতুন পাতা গজানোর পরপরই অজস্র মঞ্জরিতে আচ্ছন্ন হয় গাছ। কাঠ গাঢ়-লাল, ভারী ও দীর্ঘস্থায়ী। ঘরের কড়ি-বরগা থেকে গরুর গাড়ি, নৌকা, চাষের যন্ত্রপাতি সবই এই কাঠে তৈরি হয়।  শ্রীলংকায় এটাই প্রধান কাঠ। বাকল থেকে স্থূল আঁশ পাওয়া যায়। আদি আবাস শ্রীলংকা, মিয়ানমার, আন্দামান ও দক্ষিণ-ভারত। বেরিয়া নামাংশ ডা. এনড্রু বেরিয়ার স্মারক। কলকাতার শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্যার উইলিয়াম রক্সবার্গ গাছটির সঙ্গে এই মাদ্রাজ তরুবিদের নাম যুক্ত করেন।  আইইউসিএনের পর্যবেক্ষণে এ গাছটি বর্তমানে সারাবিশ্বে বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। বংশবৃদ্ধি বীজ থেকে। তাই চলুন আমরা সমবেতভাবে এই গাছ আমাদের আশেপাশ লাগিয়ে একে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করি।

এই ফুল আমি দেখেছি ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের পাশ দিয়ে বেশ কয়েকটা। তবে প্রথম দেখেছি একে ঢাকা ভার্সিটির টিএসসির সামনে বুদ্ধনারিকেল গাছের ডান পাশে ২টা । এছাড়া মিরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে আছে চার পাঁচটি ।

সাধারণত বর্ষায় এই গাছে গুচ্ছাকারে সাদা সোনালি হলুদ মিশেলের ফুল ফোটে। পাতার গড়নের দিক থেকে দেখতে অনেকটা বুদ্ধনারিকেলের মতোই। হ্যাঁ বন্ধুরা এদের নাম বেরিয়া। তবে নিশ্চয় নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এগুলো আমাদের দেশি গাছ নয়। অনেক আগেই এরা এই দেশে এসেছে। এইবার আমরা জানি এই বেরিয়া হলো পাটগোত্রীয় গাছ। সব মিলিয়ে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি। বেরিয়া মধ্যমাকৃতির পত্রমোচি বৃক্ষ। কা সরল, উন্নত, ধূসর প্রায় মসৃণ। শাখা ঊর্ধ্বমুখী, পাতাগুলো মোটামুটি বড় কিছুটা পানপাতার আকৃতি, লম্বা ডাটা। থাকে কয়েকদিন। মূলত নতুন পাতা গজানোর পরপরই অজস্র মঞ্জরিতে আচ্ছন্ন হয় গাছ। কাঠ গাঢ়-লাল, ভারী ও দীর্ঘস্থায়ী। ঘরের কড়ি-বরগা থেকে গরুর গাড়ি, নৌকা, চাষের যন্ত্রপাতি সবই এই কাঠে তৈরি হয়।

শ্রীলংকায় এটাই প্রধান কাঠ। বাকল থেকে স্থূল আঁশ পাওয়া যায়। আদি আবাস শ্রীলংকা, মিয়ানমার, আন্দামান ও দক্ষিণ-ভারত। বেরিয়া নামাংশ ডা. এনড্রু বেরিয়ার স্মারক। কলকাতার শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্যার উইলিয়াম রক্সবার্গ গাছটির সঙ্গে এই মাদ্রাজ তরুবিদের নাম যুক্ত করেন।

আইইউসিএনের পর্যবেক্ষণে এ গাছটি বর্তমানে সারাবিশ্বে বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে। বংশবৃদ্ধি বীজ থেকে। তাই চলুন আমরা সমবেতভাবে এই গাছ আমাদের আশেপাশ লাগিয়ে একে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না