সাম্প্রতিক
নওগা থেকে আলমডাঙ্গা পাইকপাড়া বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন কামাল
নওগা থেকে আলমডাঙ্গা পাইকপাড়া বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন কামাল

নওগা থেকে আলমডাঙ্গা পাইকপাড়া বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন কামাল

নওগা থেকে আলমডাঙ্গা পাইকপাড়া বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন কামাল

নওগা থেকে আলমডাঙ্গা পাইকপাড়া বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন কামাল

নওগা থেকে আলমডাঙ্গা পাইকপাড়া বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন কামাল।  শনিবার সকালে কালিদাসপুর পাইকপাড়া বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলে বিকালে আলমডাঙ্গা আসার পথে স্ট্রোক করে মারা যান কামাল।
জানাগেছে, নওগা জেলার আত্রাই উপজেলার তারাটিয়া রড়ডাঙ্গার কামাল(৩৫) ও ছোট ডাঙ্গার ইসতুল সর্দ্দারের ছেলে বাবু(৪০) বিভিন্ন এলাকা থেকে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলে বিক্রয় করে। গতপরশু শুক্রবার বিকাল ৩ টায় নওগা থেকে রকেট মেইল ট্রেনে তারা দুজন হালসা ষ্টেশনে এসে নামে। রাত হালসায় থেকে সকালে খাওয়া দাওয়া সেরে আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর পাইকপাড়া কামারডাঙ্গা বিলে শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলতে আসে। সারা দিন শাপলা ফুলের ঢ্যাপ তুলে বিকালে কামাল তার সঙ্গী বাবুকে বলে চল যাই। প্রচন্ড ক্ষুধা পেয়েছে। আলমডাঙ্গা গিয়ে খেয়ে নিব। একথা বলে দুজন ঢ্যাপ বস্তায় পুড়ে নিয়ে মাথায় করে পাইকপাড়া গ্রামের দিকে আসার পথে হঠাৎ কামাল বস্তা নিয়ে পড়ে পায়। তখন বাবু তার মাথার বস্তা ফেলে দিয়ে কামাল ধরে। আশপাশ থেকে পাইকপাড়া গ্রামের লোকজন ছুটে এসে কামালের মাথায় পানি ঢালতে শুরু করে। পরে তাকে গ্রামের ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষনা করে। তার মৃত্যুর সংবাদ বাড়িতে মোবাইল করে জানায় বাবু।
সন্ধ্যায় বাবুর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে জানা যায়, আমার বাড়ি আর কামালের বাড়ি একই উপজেলায়। কামালের পিতার নাম আমি জানি না। তবে এতটুকু বলতে পারি কামালের একটি ছেলে ও ২টি মেয়ে আছে। তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তার পরিবারের লোকজন সন্ধ্যায়ই বড়ডাঙ্গা আত্রাই নওগা থেকে রওনা দিয়েছে। এ সংবাদ লেখাবদি কামালের লাশ পাইকপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের হেফাজতে ছিল।