সাম্প্রতিক

ফরিদপুরে জোড়া খুনের দায়ে ১৩ জনের যাবজ্জীবন

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামে গঞ্জর খাঁ ও মুশা মোল্লা নামে দুই ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে ১৩ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- দিয়েছে ফরিদপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক। এছাড়া তাদের ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়। বুধবার দুপুরে বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান এই আদেশ দেন।

রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ১১জন আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। বাকি দু’জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামিকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যান আফসার ফকির নামে এক আসামি। রায় ঘোষণার সময় আসামি সোহরাব ফকির, জিকির খা অনুপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মান্নান খান, সুরমান খা, মাজেদ খা, ওয়াজেদ খা, রাশেদ খা, সিদ্দিক ফকির, সোহরব ফকির, আফসার ফকির, ফজলু ফকির, রহমান খা, রেজাউল খা, জিকির খা, ওসমান ফকির।

ফরিদপুর বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম রব্বানী বাবু মৃধা জানান, ২০০৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে সাতটার দিকে জেলার সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামে পেঁয়াজের দানা তোলাকে কেন্দ্র করে একটি সালিশ বৈঠক হয়।  বৈঠক চলাকালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে গঞ্জর খাঁ ও মুশা মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় ওইদিনই নিহত মুশা মোল্লার ভাই আলাল মোল্লা বাদী হয়ে ২৭ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন সালথা থানায়। 

মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৩ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। টাকা না দিলে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার বাকি ১৪ আসামিকে বেককুর খালাস দেওয়া হয়।

আদালত চত্বর থেকে আসামির পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ফরিদপুর কোতয়ালি থানার ওসি এফ এম নাছিম জানান, আদালত থেকে আসামিদের জেলহাজতে নেওয়ার সময় স্বজনদের প্রচুর ভিড় ছিল অসাবধানতাবশত আফসার ফকির নামে এক আসামি পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

x

Check Also

জাতীয় মৎস্য পুরস্কার-২০১৯ উপলক্ষে রোপ্যপদক পেলেন ইমদাদুল হক হিমেল

জাতীয় মৎস্য পুরস্কার-২০১৯ –এ রোপ্য পদক পেলেন আলমডাঙ্গার ডামোশ গ্রামের মৎস্যচাষি ইমদাদুল হক হিমেল। কৃতিত্বের ...