সাম্প্রতিক

হামলা-গ্রেফতারের প্রতিবাদে নোয়াখালী-৪ আসনে বিএনপির প্রচারণা বন্ধ ঘোষণা

নোয়াখালী: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিএনপির গণসংযোগে বিনা উসকানিতে পুলিশের হামলা, গুলি, ১৬ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার ও আহত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিএনপি। শনিবার রাতে রশিদ কলোনীর নোয়াখালী-৪ ( সদর-সূবর্ণচর) আসনের বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহানের বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নোয়াখালী-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান অভিযোগ করেন, প্রশাসনের অসহযোগিতা ও পুলিশের বেপরোয়া ও পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে আমাদের নির্বাচনী গণসংযোগ কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছি।
তিনি বলেন, দুপুরে গণসংযোগ শেষে জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়ার বাড়িতে কর্মীরা দুপুরের খাবারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় আমি জোহরের নামাজ পড়ার জন্য বাড়ির সামনের মসজিদে যাই। এরই মধ্যে ডিবি পুলিশ ও চরজব্বার থানা পুলিশ বিনা উসকানিতে অতর্কিতে গুলি, গ্রেনেড বিস্ফোরণ ও নেতাকর্মীদের বেদম লাঠিচার্জ করে। এ সময় ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে নির্বাচনী বহরে থাকা অসংখ্য মটরসাইকেল থানায় নিয়ে যায় এবং পুলিশের উপস্থিতিতে কয়েকটি মোটরসাইকেলে সন্ত্রাসীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মাহবুব আলমগীর আলো, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজগর উদ্দিন দুখু, সুবর্ণচর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নূরনী চৌধুরীসহ ১৬ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতারর করেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনী প্রচারণায় সন্ত্রাসী হামলা বন্ধ, সকল প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করা, বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার বন্ধ ও গত কয়েকদিনে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার ৬২ নেতাকর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি আবু নাছেরসহ আরও অনেকে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না