সাম্প্রতিক

এবার যশোর শিক্ষা বোর্ড পাসের হারে দ্বিতীয় স্থানে

এবার যশোর বোর্ড থেকে পাসের হার ৯০ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

দুই বছর আগে ২০১৭ সালে এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮০ দশমিক ০৪ শতাংশ। কিন্তু গতবছর পাসের হার ৭৬ দশমিক ৬৪ শতাংশে নেমে যায়।

সেখান থেকে পাসের হার এক লাফে ১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে এবার দ্বিতীয় স্থানে যশোর শিক্ষা বোর্ড।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মধাব চন্দ্র রুদ্র বলছেন, এবার যারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, তারা সবাই ছিল ‘ভালো মানের’ শিক্ষার্থী। মূলত তাদের হাত ধরেই এক বছর বাদেই মাধ্যমিকে ভালো ফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।    

এই বোর্ড থেকে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে নয় হাজার ৯৪৮ জন।

সোমবার বেলায় ১২টায় যশোর প্রেস ক্লাবে মধাব চন্দ্র রুদ্র ফল ঘোসণা করে জানান, যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে এবার এক লাখ ৮২ হাজার ৩১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, তাদের মধ্যে থেকে উর্ত্তীণ হয়েছে এক লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৮ জন।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮১ হাজার ৬৩৭ জন ছাত্র এবং ৮৪ হাজার ৫১ জন ছাত্রী।

অর্থাৎ, পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং মেয়েদের ৯২ দশমিক ২৪ শতাংশ।

এ শিক্ষা বোর্ডে শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবার ২৭৫টি।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র বলেন, “যশোর বোর্ডে এবছর ফলাফল বিগত বছরগুলোর চেয়ে ভাল হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে এবছর যারা পরীক্ষার্থী ছিল তারা সকলেই ভালো মানের শিক্ষার্থী।

“এ পরীক্ষার্থীরা সবাই নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। নির্বাচনী পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ কাউকে মূল পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। এছাড়া এ পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের প্রশ্ন ব্যাংকের আওতায় অষ্টম শ্রেণি থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে। সে কারণে বোর্ডের প্রশ্নের ধরন তাদের কাছে নতুন নয়।”

যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাসের হারে এগিয়ে খুলনা জেলা। এই জেলা থেকে পাস করেছে ৯৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।

এছাড়া সাতক্ষীরায় পাসের হার ৯৩.৫৪, বাগেরহাটে ৯২.৯৪, যশোরে ৯০.৫৫, মেহেরপুরে ৯০.২৭, কুষ্টিয়ায় ৮৭.৯৮, চুয়াডাঙ্গায় ৮৭.৯৮, নড়াইলে ৮৪.১৫, ঝিনাইদহে ৮৯.৬১, মাগুরায় ৯১.৯৮ শতাংশ।