সাম্প্রতিক

সালাদে কখনোই দেবেন না এই ৫টি জিনিস!

ওজন কমাতে গেলে সবার আগেই মাথায় আসে একটি খাবারের কথা, আর তা হলো সালাদ। ডায়েট বা ব্যায়ামের আগে সালাদ খেয়েই কিছু ওজন কমিয়ে ফেলা যায় কিনা, তাই চিন্তা করেন তারা। সবজি আর ফলে তৈরি সালাদ আসলে বেশ স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। আর তা খেয়ে ওজন কমানোর চিন্তা খুব অমূলক নয়। তবে সালাদে ইচ্ছামত উপকরণ দেওয়া যাবে না। অনেকেই সালাদ সুস্বাদু করে তোলার জন্য এতে প্রচুর সস, মাংস দেন। তা করলে ওজন কমানোর লক্ষ্য আর পূরণ হবে না।

১) প্রক্রিয়াজাত মাংস

সালাদে মাংস দেওয়াটা খারাপ নয়। কিন্তু মাংসের ধরন ও পরিমাণ ঠিক রাখতে হবে। আপনি বাইরে থেকে কেনা চিকেন নাগেটস, চিকেন সসেজ বা বিফ শিক কাবাব সালাদে দিতে পারবেন না। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ও নাইট্রেট থাকে। এ ছাড়া এগুলোতে ক্যালোরিও থাকে বেশি। বাসায় মুরগীর বুকের মাংস সেদ্ধ করে তা দিতে পারেন সালাদে। এর থেকেও ভালো হয় যদি মাংসের বদলে সেদ্ধ ডিম ব্যবহার করেন।

২) মিষ্টি বাদাম

অর্থাৎ বাদাম পাপড়ি, যা আমরা অনেকেই স্ন্যাকস হিসেবে খাই। সালাদে বাদাম দিতে বলা হলে অনেকেই বাদাম পাপড়ি ভেঙ্গে এতে দিয়ে দেন। কিন্তু তা ঠিক নয়। সালাদের মতো স্বাস্থ্যকর খাবারটায় চিনির উপস্থিতি চলে আসে। এতে ওজন না কমে বরং বেড়ে যেতে পারে। সালাদ মিষ্টি করতে প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি ফল মেশাতে পারেন, যেমন আঙ্গুর, স্ট্রবেরি বা কমলা।

৩) পাস্তা

পনিরে ভরপুর পাস্তা না খেয়ে বরং পাস্তা সালাদ খাওয়া ভালো। কিন্তু আপনি যদি সালাদ খেয়ে ওজন কমাতে চান তাহলে এর সাথে পাস্তা মেশাবেন না। বরং সবজি ও প্রোটিনে ভরপুর সালাদ খাওয়া উচিত। পাস্তা না মিশিয়ে বরং সালাদের সাথে মেশাতে পারেন অল্প পরিমাণে লাল চালের ভাত।

৪) ক্রিমি ড্রেসিং

সালাদ মজা করতে এতে অনেকেই দেন সিজার বা র‍্যাঞ্চ ড্রেসিং। কিন্তু এগুলোতে প্রচুর প্রিজারভেটিভস, চিনি ও ফ্যাট থাকে। এগুলোর বদলে বাসাতেই সরিষা বাটা, অলিভ অয়েল, লেবুর রস বা ভিনেগার দিয়ে ড্রেসিং তৈরি করে নিতে পারেন।

৫) ভাজাপোড়া

ভাজা সবজি, পেঁয়াজ বা রসুন দেবেন না সালাদে। ভাজা খাবার মানেই তাতে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকতে পারে। বরং মুচমুচে কিছু খেতে চাইলে সালাদে অল্প করে ভাজা বাদাম দিতে পারেন।

সূত্র: পপসুগার