সাম্প্রতিক

কাঁচা মাছ-মাংস থেকে সাবধান!


সুপারবাগ বা ব্যাকটিরিয়া আপনার বাড়িতেই ঘাঁটি গাড়তে পারে৷ শুধুমাত্র পঁচা বা বাসি কোনো বস্তু থেকে নয়, বাজার থেকে আনা কাঁচা মাংস থেকে হতে পারে এই সুপারবাগ৷ এসব ব্যাকটিরিয়ার সাথে কীভাবে মোকাবিলা করবেন জেনে নিন। খবর ডিডব্লিউর।
মাংসের দোকান থেকে বাড়িতে
বাজারে যে কাঁচা মাংস বিক্রি হয় তাতে ব্যাকটিরিয়া থাকতে পারে৷ তাই এ থেকে মানুষের দেহে সংক্রমিত হলে ব্যাকটিরিয়াগুলো মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়৷ ফলে মানুষ সহজেই অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়৷
হিমায়িত খাবার
ফ্রিজে দীর্ঘদিন ধরে বেশি মাংস সংরক্ষণ করা উচিত না৷ কেননা যে তাপমাত্রায় অল্প মাংস রাখা উচিত, সে তাপমাত্রায় বেশি পরিমাণ মাংস সংরক্ষণ করলে রান্না করার সময় ব্যাকটিরিয়া মরে যাওয়ার বদলে গাণিতিক হারে তা বৃদ্ধি পেতে থাকে৷
সঠিক আসবাব
বিশেষজ্ঞদের মতে, যে বোর্ডে সবজি বা মাংস কাটা হয় সেটি কাচের হলে ভালো৷ প্লাস্টিক বা কাঠের বোর্ড থেকে সহজেই ব্যাকটিরিয়া অন্য খাবারে চলে যায়৷
কাঁচা দ্রব্যের জন্য আলাদা যন্ত্র
কাঁচা মাংস, মাছ, সবজি বা সালাদের জন্য আলাদা বাসন-পত্র ব্যবহার করা উচিত৷ রান্না হলে জীবাণুগুলো যেমন মরে যায়, তেমনই কাঁচা খাবার থেকে ছড়িয়ে পড়া ব্যাকটিরিয়া সুপার ব্যাকটিরিয়ার পরিণত হয়৷ আসলে এ সব খাবার রান্নার পর আবারো যদি কাঁচা খাবার নাড়ার কোনো আসবাব দিয়ে খাবার নাড়া-চাড়া করা হয়, তবে ব্যাকটিরিয়া রান্না করা খাবারে প্রবেশ করে৷
খাবার সঠিকভাবে রান্না করা
বেশিরভাগ জীবাণু ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াম তাপামাত্রায় মরে যায়৷ তাই কাঁচা মাংস সঠিকভাবে রান্না করা হয়েছে কিনা, তা ভালোভাবে দেখে নিতে হবে৷ মাইক্রোওয়েভে রান্না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব জীবাণু মরে যাবে কিনা তার কিন্তু কোনো নিশ্চয়তা নেই৷
হাত ধোয়া
রান্নার আগে এবং পরে গরম পানি এবং সাবান দিয়ে হাত ভালো করে ধোয়া উচিত৷ এছাড়া মাছ, মাংস কাটা এবং ডিম ফাটানোর পর সাথে সাথে হাত ভালো করে ধোয়া জরুরি৷ তা না হলে গ্লাভস ব্যবহার করলে ভালো হয়৷
পরিষ্কার রাখা
রান্না ঘরের বাসন-পত্র ও আসবাব গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত৷ এছাড়া কাঁচা মাছ, মাংস যেসব বাসনে রাখা হয়েছিল, সেগুলো ডিশওয়াশারের ভেতর ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ধোয়া অত্যন্ত জরুরি৷