সাম্প্রতিক

অতিরিক্ত টেস্ট রোগীর ভালোর চেয়ে মন্দই হয় বেশি

 শরীরে রোগ হলেই আমরা চিকিৎসকের কাছে দৌড়াই সুস্থ হয়ে ওঠার জন্যে। কিন্তু অনেক সময় চিকিৎসকরা রোগীদের অতিরিক্ত চিকিৎসা তথা অতিরিক্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা বা ওষুধ দেয় যা রোগীর জন্যে আরও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসকদের এ ধরনের বাড়াবাড়ি বন্ধ করতে নতুন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে উদ্যোগ গ্রহণকারী চিকিৎসক নেতারা লিখেছেন, কিছু রোগীকে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ বা পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে বলা হয়। এটি করতে রোগীরা চাপ অনুভব করে।

এক্ষেত্রে রোগীদেরও চিকিৎসকদের সাথে আলোচনা করতে হবে এর চেয়ে আরও সহজ কোনও পদ্ধতি আছে কিনা যা তাদের জন্যে উপযোগী হতে পারে। কিন্তু চিকিৎসকের উপদেশ ছাড়া আবার ‘চিকিৎসা’ পরিবর্তন করা যাবে না।

দ্য একাডেমি অব মেডিক্যাল রয়েল কলেজ বলছে, বর্তমানে এমন অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে প্রত্যেক রোগীর ক্ষেত্রে কিছু করতে হবে চিকিৎসকদের ওপর এমন চাপ রোগীদের জন্যে ভালো ফল বয়ে আনছে না।

অন্যদিকে, ‘বেশিই ভালো’ এমন সংস্কৃতি চর্চার ফলে অনেকের রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তথা, রোগীর বেশি কিছু হয়েছে এমনই দেখাতে চাইছে চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে রোগীর ক্ষতি হচ্ছে।

বিশিষ্ট মনোচিকিৎসক প্রফেসর ডেম সু বেইলি বলেছেন, হালকা বিষণœ রোগীদের প্রথমে গ্রুপ অনুশীলন ক্লাস অথবা থেরাপি দেয়া যেতে পারে।

তিনি আরও বলেছেন, রোগীদের ঘনঘন রক্তপরীক্ষা বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্যে পীড়ার কারণ হতে পারে।

তিনি বলেছেন, যাদের সামান্য রক্তচাপ আছে তাদের প্রাথমিক অবস্থায় তাদের জীবনধারায় পরিবর্তন আনায় উত্তম।

বর্তমানে বিজ্ঞান খুব দ্রুত এগোচ্ছে। এ কারণে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ কারণে চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক আছে কিনা তা রোগীদের পরীক্ষা করতে উৎসাহ দেয়া উচিৎ।

যেমন রোগীরা জিজ্ঞাসা করতে পারে, আমার কি আসলেই এই টেস্ট করানো উচিৎ। আর কোনও সাধারণ অপশন আছে কিনা। আমি যদি কিছু না করি তাহলে কি হবে।