সাম্প্রতিক
একটি মেয়ে হারানো পিতার আকুতি।। আমি কি বিচার পাব না
একটি মেয়ে হারানো পিতার আকুতি।। আমি কি বিচার পাব না

একটি মেয়ে হারানো পিতার আকুতি।। আমি কি তাহেরা হত্যার বিচার পাব না

একটি মেয়ে হারানো পিতার আকুতি।। আমি কি বিচার পাব না

একটি মেয়ে হারানো পিতার আকুতি।। আমি কি বিচার পাব না

  আলমডাঙ্গার স্কুল ছাত্রী তাহেরা হত্যার বিচারের আশায় কোর্ট ও পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে তাহেরার পিতা শাহাজান আলী|
২ বছর হতে চললেও কোন বিচার পাইনি। আলমডাঙ্গা থানায় তাহেরা হত্যা মামলায় তাহেরাকে ধর্ষনজনিত কারণে হত্যা করা হইয়াছে কিনা? মর্মে তদন্তকারী অফিসার তদমর্মে মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে মতামত নেবেন কি জানতে চায় তাহেরার পিতা শাহাজান আলী।
তাহেরা হত্যা মামলার এজাহারের বর্ননা নিম্মে দেওয়া হলো
নারী ও শিশু- ৪৯/২০১৬
অদ্য দাখিলী পুলিশ রিপোর্ট ও এজাহারকারী পক্ষে দাখিলী নারাজী দরখাস্তের পোষকতায় আইনগত বিষয়ে শুনানীর জন্য দিন ধার্য আছে। ঝবাঃ ুঢ় রহ ঈ/ঝ আসামী ১। রশিদুল ইসলাম জামিনে গিয়ে পলাতক আছে। হঙঞ ঝঊঘঞ টচ ওঘ প/ং জামিনে থাকা আসামী ২। বাচ্ছু ওরফে মাসুদ রানা হাজিরা সহ আদালতে উপস্থিত আছে। নথি পেশ করা হলো।
উভয়পক্ষের বিজ্ঞ কৌসুলির বক্তব্য শুনলাম। নথি সহ নারাজী দরখাস্তের পর্যালোচনা করলাম।
পর্যালোচনার দেখা যায় মো: শাহজান আলী ১০/১২/১৪ ইং তারিখে আলমডাঙ্গা থানায় কম্পিউটার কম্পোজকৃত এজাহার দায়ের করে যে, তার পারিবারিক সমস্যার কারণে পেীর এলাকার আনন্দধাম হাবিল কাবিল মোড়ের পার্শ্বে মো: ;আব্দুল কাদের এর দ্বীলত বাড়ির নিচতলার পশ্চিম পার্শের দুইটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে স্ত্রী মোছা: সেলিনা বেগম এবং বড় মেয়ে মোছা: তাহেরা খাতুন (১৬) এবং ছোট মেয়ে ফাতেমা খাতুন (১১) নিয়ে বসবাস করে। ৮/১২৮১৪ ইং তারিখে বেলা ৩.৩০ ঘটিকায় ছত্রপাড়া সাকিনের প্রতিবেশি মোজাম্মেল মন্ডল এজাহারকারীকে জানায় যে, তাহেরা গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দিয়েছে। এজাহারকারী আনন্দধাম ভাড়া বাড়িতে এসে বারান্দায় মেয়ের লাশ দেখে। আলমডাঙ্গা থানায় অপমৃত্যু মামলা করে। পুলিশ আসে এবং লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে । পরে স্ত্রী সেলিনা বেগম, শ্যালিকা ( এজহারকারীরর) রাবেয়া আক্তার পান্না, বোন (ভিকটিমের) তাহেরা খাতুন, শাশুড়ী (এজহারকারীর ) খয়রুন নেছাদের নিকট এজাহারকারী অবগত হয় যে, মৃত তাহেরার বুকের নীচে, পেটে আড়াআড়ি আচড়ের দাগ এবং বাম হাতের কবজির উপড়ে আড়াআড়ি দাগ ছিল। তাহেরা বেশ কিছুদিন পূর্ব হতে মা, খালাকে জানিয়েছিল যে বাড়ীওয়ালা আব্দুল কাদেরের ছেলে বাচ্চু (২০) (তাহেরাকে) উক্তত্য করতো। ৮/১২/১৪ ইং তারিখে সকাল ১০.০০ টার সময় তাহেরা বাসায় একা ছিল। বেলা অনুমান ২.০০ ঘটিকায় খাইরুন নেছা ও রাবেয়া আক্তার পাান্না উক্ত ভাড়া বাসায় এসে শয়নকক্ষের দরজা বন্ধ এবং ঘরের মধ্যে সিলিং ফ্যানে ঝোলানো লোহার রডের হুকের সঙ্গে তাহেরাকে ব্যবহৃত ওড়না গলায় পেচানো ঝুলন্তদ লাশ দেখতে পায়। খাইরুন নেছা ও রাবেয়া আক্তারে প্রতিবেশিদের সহায় তাহরোকে দ্রুত উক্তস্থান হতে নামিয়ে আলমডাঙ্গা সেফা ক্লিনিকে ুিনয়ে যায়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে। বাচ্চু ও তার সঙ্গীয় অজ্ঞাতনামা আসামীরা তাহেরাকে ধর্ষনপূর্বক হত্যা করত: লাশ ঝুলিয়ে রাখে মর্মে এজাহারকারীর সন্দেহ হয়। উক্ত এজাহরের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানা মামলা নং ০৬, তাং ১০/১২/১৪ ইং রজু হয়। অভিযোগের তদন্ত অন্তেক ২৯/২/১৬ ইং তারিখে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো: মেহেদী রাসেলের অভিযোগপত্র দাখিল করে যা ১৩/৩/১৬ ইং তারিখে বিজ্ঞ হুডিশিয়াল ম্যাজিস্টিট এর নিকট উপস্থাপন করা হয়। মো: রাশিদুল ইসলাম মাস্টার,. পিতা মো: সামছুল হুদা, সাং মাজহাদ (স্কুলপাড়া) থানা আলমডাঙ্গাকে অভিযুক্ত আসামী এবং বাচ্চু ওরফে মো: মাসুদ রানা বাচ্চু পিতি আব্দুল কাদের সাং আনন্দধাম, থানা আলমডাঙ্গাকে অভিযোগের দায় হতে অব্যাহতি প্রদানের সুপারিশ করা হয় অভিযোগপত্রে। এজাহারকারী ৭/৩/১৬ ইং তারিখে তদন্তকারীর জিম্মায় দেয়ার জন্য এবং উক্ত বস্ত্রাদিতে থাকা হস্তছাপ বিশেষজ্ঞের দ্বারা পরীক্ষার নিমিত্তে আদালতে আবেদন করেন। পরবর্তীতে অভিযোগপত্র দাখিল অন্তে বাদী ২/৪/১৬ ইং তারিখে পুলিশ প্রদিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজী দরখাস্ত দাখির করেছে। নারাজী দরখাস্তের সঙ্গে ফ্রেস আরজি দাখিল করেছে এবং এবং ফেস আরজিতে উল্লেখিত অভিযোগড় পূনঃতদন্ত বা বিচার বিভাগীয় তদন্তের আবেদন করে। উভয়পক্ষের বিজ্ঞ কৌসুলিৈ উপরোক্ত বিষয়ে একাধিকবার শুনানী করেন। ফ্রেস আরজীতে ৭ জন আসামীর নাম সংযোজন এরবং কতক নতুন বক্তব্য আরজীর গর্ভে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। ফ্রেস আরজিতে নতুৃন আসামী পক্ষের বিজ্ঞ কৌসুলি কোন আইন বা নজীর আদালতে উপস্থধাপন করেন নাই, সেক্ষেত্রে এরজাহার দায়েরের পর সংশিলষ্ট বিষয়ে কোন নতুন তথ্য বা অভিযুক্ত ব্যাক্তি সম্পর্কে বাদী অবগত হয় এবং নারাজী দরখাস্তের সঙ্গে আদালতে তদন্তের আবেদন করে, অভিযোগের প্রকৃত ঘটনা ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে উক্ত বিষয়ে তদন্ত করা আইনসংগত মনে করি। উপরোক্ত অবস্থা বিবেচনায় এজাহারকরীর নারাজী দরখাস্তের মন্জুর করা হলো । দাখিলী আালমডাঙ্গা থানার অভিযোগপত্র নং ৫০, তারিখ ২৯/০২/১৬ নথিস্থ রাখা হোক। এজাহাকারীর ১০/১২/১৪ ইং তারিখে এজাহার এবং ২০/০৪/১৬ ইং তারিখে ঋৎবংয পড়সঢ়ষধরহ একত্রে ওসি জেলা গোয়েন্দা শাখা, চুয়াডাঙ্গাকে অধিকতর তদন্ত অন্তে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া গেল।
আগামী ইং ৩১/১০/১৬ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তি ও পরবর্তী আদেশ।
আদেশের অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা এবং ওসি জেলা গোয়েন্দা শাখা, চুয়াডাঙ্গা বরাবর প্রেরণ করা হউক।