সাম্প্রতিক

বটি দিয়ে বাবাকে হত্যা মাকে জখম

নড়িয়ায় নেশাখোর ছেলে ধরালো অস্ত্র (বটি দা) দিয়ে এলাপাথারিভাবে বাবাকে কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করেছে। এর আগে মা পিয়ারা বেগমকেও দা দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেছে ছেলে।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় মাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। 
রোববার বিকাল ৫টায় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আনাখণ্ড গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।


ঘটনায় পর স্থানীয় লোকজন ঘাতক ছেলে নাইম বেপারীকে আটক করে পুলিশে শোর্পদ করেছে।

নড়িয়া থানা, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আব্দুস সালাম বেপারি ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আনাখণ্ড গ্রামের আব্দুর রহিম বেপারির ছেলে নাঈম (২২) দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হয়ে মানষিক ভারসাম্যহীন। নাঈম নেশা করে মাঝে মধ্যেই পরিবারের লোকজনদের মারধর করতো। নাঈমের বাবা মৎস্য ব্যবসায়ী রহিম বেপারী যশোর থেকে পোনা মাছ ক্রয় করে রোববার বিকাল ৫টায় বাড়ি আসে। এ সময় ঘরে থাকা জিনিসপত্র এলোমেলো দেখে ঘরের কাজ করা নিয়ে বাবা রহিম বেপারি ও মা পিয়ারা বেগমের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। হঠাৎ করেই ছেলে নাঈম বেপারী রান্না ঘর থেকে বটি দা নিয়ে তার মাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ সময় বাবা রহিম বেপারী এগিয়ে গেলে তাকেও এলাপাতাড়িভাবে গলায় ও পিঠে কুপিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর পায়ের রগ কেটে ফেলে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

স্থানীয় লোকজন দ্রুত গুরুতর আহত অবস্থায় মা পিয়ারা বেগমকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনায় পর স্থানীয় লোকজন ঘাতক ছেলে নাইম বেপারীকে আটক করে পুলিশে শোর্পদ করেছে।

রহিম বেপারীর চাচাতো ভাই আব্দুল লতিফ বেপারী বলেন, নাঈম দীর্ঘ দিন ধরে মাদকাসক্ত। মাঝে মধ্যেই পরিবারের লোকজনদের মারধর করতো। তার বাবাকে কুপিয়ে হত্যা ও মাকে কুপিয়ে জখম করেছে।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, বাবাকে তার ছেলে কুপিয়ে হত্যা করার পর আমরা ঘাতক ছেলেকে গ্রেফতার করেছি। এ সময় তার মাকেও কুপিয়ে জখম করেছে।