সাম্প্রতিক

নাটকীয় ম্যাচে ঢাকাকে হারালো কুমিল্লা

খেলাধুলা ডেস্ক: ঢাকা ডায়নামাইটসকে নির্ভার হতে দিলো না কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। কুমিল্লার কাছে মাত্র ১ রানে হেরে ঢাকার প্লে অফে যাওয়ার অপেক্ষা তো বাড়লোই, বাড়লো অনিশ্চয়তাও।

ঢাকাকে এখন প্লে অফে যেতে গ্রুপ পর্বের শেষ দিন পর্যন্ত। খুলনার সাথে শেষ ম্যাচে জিততেই হবে সাকিবদের। হারলেই বাদ পড়ে যাবে তারা, প্লে অফে যাবে রাজশাহী কিংস।

গ্রুপে ঢাকা ১১ ম্যাচ খেলে পাঁচ জয় নিয়ে পাঁচে আছে। অন্যদিকে ১২ ম্যাচে ছয় জয় নিয়ে এগিয়ে আছে রাজশাহী। কিন্তু রাজশাহীর নেট রান রেট ঢাকার চেয়ে কম। তাই ঢাকা জিতলেই চলে যাবে শেষ চারে।

শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ১২৭ রানে অলআউট হয়ে যায় কুমিল্লা। দলের হয়ে তামিম ইকবাল সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন। এছাড় শেষ দিনে আফ্রিদির ১৮ রান, মেহেদি হাসানের ২০ রান এবং ওহাব রিয়াজের ১৬ রানের সুবাদে ওই সংগ্রহ পায় কুমিল্লা।

১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ঢাকারও। কম রানেও লড়াই করা যায় তা শুরুতেই দেখিয়েছেন সাইফউদ্দিন-মেহেদি হাসানরা। শুরুর ১৭ রানের মধ্যে উপুল থারাঙ্গা, মিজানুর রহমান এবং রনি তালুকাদার ফিরে যান। পরেই ফিরে যান সাকিব।

সেখান থেকে সুনীল নারিন, কিয়েরন পোলার্ড এবং রাসেল ছোট ছোট রানে ভরসা দেন দলকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই ত্রয়ীর ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ঢাকা। কিন্তু নারিন ২২ রানে, পোলার্ড ৩৪ রানে ফিরে যান। দায়িত্ব পড়ে রাসেলের কাঁধে। তিনি ২৩ বলে ৩০ রান করেও ম্যাচ বের করতে পারেননি। হার না মানা ইনিংস খেললেও ম্যাচ হারের স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

জয়ের জন্য শেষ তিন ওভারে ঢাকার দরকার ছিল ৩৭ রান। ১৮তম ওভারে আফ্রিদি এসে দেন ১৭ রান। পরের ওভারে আসেন আরেক পাকিস্তানি ওহাব রিয়াজঅ তিনি দেন মাত্র ৭ রান।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৩ রান দরকার ছিল ঢাকার। শেষ দুই বলে ১২ রান করে ফেলেন সাইফউদ্দিন। কিন্তু রাসেল পঞ্চম বলে ছক্কা মেরে দেন। শেষ বলে জিততে ঢাকার দরকার ছয় রান। রাসেলকে দুর্দান্ত এক ইয়ার্কার মারলেন সাইফউদ্দিন। পড়ে গিয়ে বল আটকান রাসেল। আর এতেই জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

কুমিল্লার হয়ে এ ম্যাচে দুর্দান্ত বল করেন সাইফউদ্দিন। তিনি ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। মেহেদি হাসান নেন দুই উইকেট। এছাড়া আফ্রিদি, ওহাব রিয়াজ এবং মোশাররফ একটি করে উইকেট নেন।

ঢাকার হয়ে রুবেল হোসেন ৪ ওভারে ৩০ রানে নেন ৪ উইকেট। সাকিব এবং নারিন নেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট পান শুভাগত হোম।