সাম্প্রতিক

ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার কারণ জানালেন বিএনপি নেতা দুদু!

প্রশাসন, বিচারালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন ব্যর্থতার দিকে চলে যায়। তখন কিন্তু এসব জিনিস সামনে চলে আসে। এসব প্রতিষ্ঠানের উপর জনগণের আস্থাহীনতা দিন দিন কমে যাওয়ার কারণেই দেশে ধর্ষণের মাত্রা মহামারি আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশো অনুষ্ঠানে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, হঠাৎ করে ধর্ষণের মাত্রা বেড়ে গেছে এটা কোন কল্যাণ রাষ্ট্রের জন্য ভাল নয় কিন্তু কী দেখতে পাচ্ছি? প্রতিনিয়ত ধর্ষণের মাত্রা বেড়েই চলছে। এর কারণ অনুসন্ধান করতে হবে সরকারকে। অথচ কী দেখতে পেলাম, ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য আওয়মী লীগ সমর্থকারা দল বেঁধে মধ্য বয়সী নারীকে গণধর্ষণ করে। এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে সরকারের সমর্থকদের ইন্ধন ছাড়া সুবর্ণচরে ধর্ষণ হয়নি। তাই সরকার চাইলে ধর্ষণের মত মহামারি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।

দুদু বলেন, সুবর্ণচরের গণধর্ষণের ঘটনার কথা যদি দেখেন প্রথম থেকেই সরকারের অস্বীকার করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কী কারণে অস্বীকার করছে তা এখন স্পষ্ট হয়ে গেছে। যারা এই অপকর্ম করেছে তারা সকলেই শাসক ঘোষ্ঠীর লোক। তাদের বাঁচাতে ১৫ থেকে ২০ দিন আসামীদের গ্রেফতার করা হয়নি। অবশেষে দেশের মানুষের চাপে পড়ে বাধ্য হয়ে সরকার তাদের গ্রেফতার করেছেন। আমি আশা করি তাদের যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করবে বিচার বিভাগ। ধর্ষণের শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে দেশে ধর্ষণের মহামারি কমবে বলে আমার ব্যক্তিগত মতামত।

বিএনপি নেতা দুদু বলেন, আমি যদি প্রশাসনে থাকতাম, তবে ধর্ষককে আইনে সোপের্দ করতাম। কিন্তু তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। হত্যার মাধ্যমে কখনও ধর্ষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। হারকিউলিস হচ্ছে এই সমাজে উদভ্রান্ত মানুষের কাজ। পথ হারা বিভ্রান্ত প্রতীক হচ্ছে এসব ধর্ষক। আমরা সমাজের আলো থেকে ক্রমেই অন্ধকারের পথে ডুকে পড়ছি। সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণের এই মহামারিকে অবশ্যই নির্মূল করতে হবে। এটা সমাজের দুষ্টু ক্ষত। এই সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে তা কিন্তু কাম্য নয়। সরকারের উচিত এখনি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা কিন্তু তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।