সাম্প্রতিক

ধর্ষণের ঘটনায় আ.লীগকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: ফখরুল

 নৌকায় ভোট না দেয়ায় নোয়াখালীর সুবর্ণচরে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জাতির কাছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শনিবার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে দেখতে আসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে যে ঘটনা (এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ) ঘটেছে, এটা যারা ঘটিয়েছে এবং এর পেছনে যারা রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিচার করতে হবে। আওয়ামী লীগকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের নামে দেশে যে প্রহসন হয়েছে এটা দেশকে গণতন্ত্রহীনতা এবং অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। এটা জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা ও প্রহসন। জনগণ তা মেনে নেয়নি ও মেনে নেবেও না। নির্বাচনের আগে ও পরে যে ধরনের নৃশংসতা হয়েছে তা ইতিহাসে বিরল।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য, দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।
এছাড়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, হারুনুর রশীদ, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, কেন্দ্রীয় নেতা রেহানা আখতার রানু, সৈয়দ আসিফা আশরাফী পাপিয়া উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত,গত রোববার দিবাগত রাত ১২টার দিকে স্বামী সিরাজ উদ্দিনকে মারধর ও চার সন্তানকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়। পরে এই ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী সিরাজ উদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী ওই নারীর অভিযোগ, নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ায় তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। চর জুবিলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য রুহুল আমীনের নেতৃত্বে এই কাজ করা হয়েছে বলে জানান ওই নারী। তিনি বলেন,‘তারা আমাকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য জোর করেছিল, কিন্তু আমি তাদের কথা না শুনে ধানের শীষে ভোট দিয়েছি।’
ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত মিলেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ মোট সাতজনকে আটক করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না