দুপুরে খাবার পর একটু হলেও ঘুমোন

দুপুরে খাবার পর একটু হলেও ঘুমোন

দুপুরে খাবার পর একটু হলেও ঘুমোন

লাইফস্টাইল ডেস্ক: পর্যাপ্ত ঘুম প্রত্যেক মানুষের জন্য জরুরি। প্রতিদিন ঠিকমতো ঘুম না হলে পরের দিন কাজেও মনোযোগী হওয়া যায় না। অল্পেতেই মেজাজ হারাতে হয়। শরীরে এক ধরনের ক্লান্তির ছাপ পড়ে। কিন্তু কারও কারও দিনের বেলাতেও ঘুমের অভ্যেস আছে। তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকুরিজীবী কিংবা নানা পেশায় কর্মজীবী মানুষের ক্ষেত্রে দিনে ঘুমোনোর সুযোগ নেই।

অনেকেই আছেন একটু আয়েশী জীবনযাপন করেন। এই যেমন দুপুরে খাবারের পর দু-এক ঘণ্টার জন্য বিছানায় কাত না হলেই নয়- এমন লোকের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন- দুপুরের খাবারের পর অল্প সময় ঘুমোতে পারলে তা হার্টের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। পাশাপাশি বিকেলের বাকি কাজগুলোও হয় ঠিকঠাক ও গোছানোভাবে।

তবে অনেই আবার ঘুমের ভেতর যদি পুরো বিকেল পার হয়ে যায়, যদি ঘুম না ভাঙে- এই ভয়ে বিকেলে ঘুমোন না। অনেকেই এক্ষেত্রে অ্যালার্ম ব্যবহার করেন। আবার অনেকে মনে করেন বিকেলে ঘুমোলে কাজের ক্ষতি হবে। আসলে ব্যাপারটি তেমন নয়। বরং কাজে বাড়তি শক্তি আনে দু-এক ঘণ্টার বিশ্রাম।
ঘুম
এই যেমন স্পেনের কথাই ধরুন। সেখানকার মানুষ দুপুরের খাবার গ্রহণের পর বিশ্রামে যায়। বিশেষত, দুপুর ২ থেকে বিকেল ৪টা- এই দুই ঘণ্টা স্প্যানিশরা ঘুমিয়ে কাটায়।

প্রতিটি মানুষের দৈনিক ন্যূনতম ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে রাতে অনেকেরই ঘুম ভালো হয় না। ফলে বিকেলে দু-এক ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিতে পারলে ঘুমের ঘাটতিও পূরণ হয়, সঙ্গে রাতের ঘুমেও বাড়তি চাপ থাকে না।

দুপুরের সময় কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিলে আপনি বিকেলে নিজের কাজে আরো বেশি মনোযোগী হতে পারেন। সকাল থেকে একটানা কাজের পর, দুপুরে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিলে আপনি আবার শক্তিশালী এবং সতেজ হয়ে উঠবেন। দুপুরের বিশ্রাম আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আপনি দুপুরে ঘণ্টাখানেক ঘুমিয়ে নিতে পারেন।

যারা বিভিন্ন অফিস-আদালত কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তারাও চাইলে দুপুরের খাবার খেয়ে চেয়ার-টেবিলে হেলান ‍দিয়ে ১০-২০ মিনিট চোখের পাতা বন্ধ রাখতে পারেন। তাতেও আপনার মস্তিষ্কের বিশেষ উপকার হবে নিশ্চিতভাবেই।

বিকেলে ঘুম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। ঘুম আপনার মুড ও মাথার কাজের ওপর প্রভাব ফেলে। সর্বোপরি, যদি সুযোগ থাকে তবে দুপুরের খাবারের পর বিছানা-বালিশের সঙ্গে একটু সখ্যতা গড়ুন। সব দিক থেকে উপকার পাবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না