সাম্প্রতিক

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত শিক্ষকদের লাগাতার কর্মসূচি

বকেয়া বেতন প্রদানসহ চাকরি স্থায়ীকরণ অথবা পরবর্তী প্রকল্পে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ১ হাজার ২০০ জন অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক (এসিটি) অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ৩য় দিনের মতো এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সেকায়েপ প্রকল্পের অধীনে কাজ করা এ শিক্ষকরা।

সকাল থেকেই দাবি আদায়ে আন্দোলনে অংশ অতিরিক্ত শিক্ষকদের ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাসূচক বক্তব্য ও গায়ের টিশার্টেও বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখা যায়।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে বক্তারা বলেন, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে সমাপ্ত সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্টে (সেকায়েপ) নিয়োগ পাওয়া অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের (এসিটি) চাকরি স্থায়ী করার আশ্বাস দেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় পাঁচ হাজার ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও মৌখিক আশ্বাসে ক্লাস করে আসছি। চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে কয়েক দফা মানববন্ধন করেছি।

তারা জানান, আশ্বাস অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে নতুন প্রকল্প এসইডিপিতে সেকায়েপের বিভিন্ন কম্পোনেন্টের (পাঠাভ্যাস ও উপবৃত্তি) কার্যক্রম চালু হলেও এসিটিদের চাকরি স্থায়ী করার কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এতে চরমভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন অভিজ্ঞ এ শিক্ষকরা।

তারা আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে চাকরি স্থায়ীকরণের সুপারিশের বিষয়ে চিঠি পাঠানো হলেও তা উপেক্ষা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাকরি স্থায়ী করছে না বলে অভিযোগ করেছেন শ্রেণি শিক্ষকরা।

বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করে বলেন, আমরা অবিলম্বে স্থায়ীকরণের লিখিত নোটিশসহ স্কুলে ফিরে যেতে চাই। আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। অনেকের আর চাকুরির বয়সও নেই। তাই আমরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই।

বাংলাদেশ এসিটি অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৌশিক চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচি ও প্রতীকী অনশনে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকরা (এসিটি)।