সাম্প্রতিক

তাসকিন-সাব্বিরের ফেরা নিয়ে যা বললেন মাশরাফি

জাতীয় দলের এক সময়কার নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান। ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট- তিন ফরম্যাটেই অপরিহার্য ছিলেন তিনি। শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ছয় মাসের সাজা নিয়ে তিনি এখন দলের বাইরে।

ওয়ানডে দলের আরেক অপরিহার্য সদস্য তাসকিন আহমেদও বেশ কয়েক মাস ধরে দলের বাইরে। এই সিমার একসময় নিয়মিত স্কোয়াডে ছিলেন। ফর্মহীনের কারণে দলের বাইরে ছিলেন।

এবারের বিপিএল আসরে অসাধারণ বল করছেন তাসকিন। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স নির্বাচকদের চোখে পড়েছে। অন্যদিকে সাব্বিরের পারফরম্যান্স ছিল মিশেল। বেশিরভাগ ম্যাচে খারাপ খেললেও শেষের দিকে দুটি ম্যাচ খেলেন অসাধারণ।

তাদের দলে ফেরা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিপিএল শেষে বাংলাদেশের সামনে দুটি ট্যুর। একটি নিউজিল্যান্ড সফর। এর পরই বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই নিউজিল্যান্ডে রওনা হবে বাংলাদেশ দলের প্রথম অংশ। সবার দৃষ্টি এখন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের দল কেমন হয়, সেদিকে।

জাতীয় দলের বাইরে থাকা অনেকেই এরই মধ্যে পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। কাল খুলনা টাইটান্সকে হারানোর পর রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা জানালেন, সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদরা ভালো করছে, তারা জাতীয় দলে ফেরার দাবিদার। তিনি বলেন, ‘তাসকিন, শফিউল ভালো করছে। একটা ম্যাচে সাব্বির ভালো করেছে। সে যদি এভাবে পারফর্ম করে যেতে পারে, তার জন্য ভালো হবে। দলে বড় পরিবর্তন হওয়ার কথা নয়। কিছু জায়গা আছে, এরা যদি ভালো করে তা হলে সুযোগ থাকবে।’

জাতীয় দল থেকে সাব্বিরের ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে ফেব্রুয়ারিতে। বিপিএলে সাব্বিরের প্রথম ছয় ম্যাচে রান ৭, ০, ১২, ৬, ২০, ১১। ‘লাকি সেভেন’ ম্যাচে হাত খুলে যায় তার। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৫১ বলে করেন ৮৫ রান। এর পরই তিনি আলোচনায়। এক ম্যাচে তার ভালো খেলায় কীভাবে তাকে দলে ফেরানো যায় জানতে চাইলে মাশরাফি বলেন, ‘শেষ ম্যাচে আমাদের বিপক্ষে সে যে ইনিংসটা খেলেছে, সেটি তার সামর্থ্যের পরিচয় দেয়। তাকে জাতীয় দলে নেয়া হয়েছিল তার সামর্থ্য দেখে। সাব্বিরের কাছে অনেক আশা। আশা করি, সে নিয়মিত রান করতে পারবে।’

মোসাদ্দেকের ফেরার বিষয়টিও বিবেচনায় আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ছয় নম্বর পর্যন্ত বড় পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। বেশি অতিরিক্ত বোলার ও দুজন ব্যাটসম্যান নেয়ার ক্ষেত্রে সুযোগ মিলতে পারে। অতিরিক্ত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সাব্বিরের সঙ্গে মোসাদ্দেকও আছে। যে ভালো করবে তার সুযোগ বেশি থাকবে। সাকিব ছাড়াও নাজমুল, নাঈম আছে। ব্যাকআপ হিসেবে কয়েকটা জায়গা ফাঁকা আছে।’