সাম্প্রতিক

ঝিনাইদহ অচিন্তনগর গ্রামের নৃশংস ভাবে খুনের শিকার শিশু মনিরা হত্যা মামলা তুলে নিতে আসামীরা এখন বেপরোয়া

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার অচিন্তনগর গ্রামে নৃশংস ভাবে খুনের শিকার ৫ বছরের শিশু মনিরা খাতুন হত্যা মামলা তুলে নিতে আসামীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ১৭ই জানুয়ারি সরেজমিনে বৃহস্পতিবার একদল সাংবাদিক অচিন্তনগর গ্রাম সহ ঐ এলাকা ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন তথ্য সুত্রে জানতে পারেন আসামী পক্ষের লোকজন বাদির আত্মিয় মারফত সর্বদা হুমকী প্রদাণ করে জানাচ্ছেন যে, মামলা তুলে নিতে হবে নাহলে আবারো তোদেও সবার জন্যই জরুরী ব্যাবস্থা নিয়া হবে বলে সাংবাদিকদের কাছে কেঁদে কেঁদে জানান নিহত মনিরা খাতুনের মা। কিছু দিন পুর্বেও হতদরিদ্র দিন মজুর ইদ্রিস আলীর বাড়ি ভাংচুর করেছে। তার দুইটি গরু ও ৩টি ছাগল নিয়ে গেছে। আর হামলার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে নিহত মনিরার পিতা ও মামলার বাদী রমজান আলী। নিহত মনিরার পিতা রজমান আলী অভিযোগ করেন, আমাদের বাড়ির লোকজন মাঠে ধান কাটার কাজ করছিল। এমন সময় আমার আমার খালাতো ভাই পানামি গ্রামের ইউনুস মন্ডল মাঠে এসে খবর দেয় কে বা করা আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে দুইটি গরু ও ৩টি ছাগল নিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, আমি বাড়ি যেতে চাইলে আমার আত্মিয় স্বজন ও পরিবার আমাকে বাড়ি যেতে নিষেধ করেন। মনিরা হত্যা মামলার বাদী সাবেক মেম্বর রজমান আলী মুঠোফোনে অভিযোগ করে বলেন, মামলাটি এখন শেষ পর্যায়ে। একজনমাত্র সাক্ষি বাকি আছে। এ অবস্থায় আসামীরা মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে। তিনি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলেও জানান। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ ঝিনাইদহ থানা পুলিশ ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কোন কর্মকর্তা তথ্য দিতে পারেনি। ঝিনাইদহ সদর থানার নতুন ওসি মিজানুর রহমান খান জানান, আমি সদর থানাতে সদ্য যোগদান করেছি, তাই এব্যাপারে তথ্য দিতে পারছিনা। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৭ জুলাই ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবীতে শিশু মনিরাকে অপহরণ করে এসিডে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। সে সময় এই মামলায় আসামী ছিল জাফর, মিন্টু ও শিপন। তাদের নেতৃত্বেই অচিন্তনগর গ্রামে হামলা করা হয় বলে বাদীর অভিযোগ।