জীবননগর ভৈরব নদীর উপর ব্রীজে ফাটল যেকোনো সময় ঘটতে পারে দূর্ঘনা

জীবননগর অফিস : জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা মহা সড়কে লক্ষীপুর ভৈরব নদীর উপর নির্মিত ব্রীজটিতে ফাঁটল ধরেছে। এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও এলাকাবাসী। এব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। জানা গেছে, জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা মহা সড়কের লক্ষীপুর ভৈরব নদীর উপর ২০০৩ সালে বেইলি ব্রীজ অপসারণ করে একটি স্থায়ী ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। ব্রীজটির নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ছিলেন ইউন কনষ্ট্রাকশন (প্রা) লিঃ। ব্রীজটির নির্মাণের মেয়াদকাল দীর্ঘদিন হওয়ায় বর্তমানে ব্রীজের বিভিন্ন অংশে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। ইতি পূর্বেও বিভিন্ন স্থানে ফাঁটল ও কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছিলো। সে সময় কতৃপক্ষ ফাঁটল স্থানে পুটিং করে চলাচলের উপযোগী করে। কিন্তু বর্তমানে আবারও একই অবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। এ সড়কটি ব্যস্ততম সড়ক হওয়ায় ব্রীজের উপর সবসময় যানবাহনের চাপ থাকে সমানতালে। সড়কটি দিয়ে সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি ঢাকা-চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী যানবাহনের চলাচল রয়েছে। জীবননগর বাঁকা ইউপি সদস্য মান্নান মন্ডল বলেন, ব্রীজের যেসব অংশে ছোট ছোট ফাটল দেখা দিয়েছে তা নিয়ে আমরা শংকার মধ্যে আছি। এই ব্রীজের উপর দিয়ে কন্টেক মিলের ১২ চাঁকার ট্রাকের মাধ্যমে প্রত্যেক দিন অহরহ বৈদ্যুতিক পোল সর্বরাহ করা হয় যা এই রোডের জন্য উপযোগী নয়। অন্যদিকে ব্যস্ততম এই সড়কে ২৪ ঘন্টাই ভারী যানবাহনের চলাচল রয়েছে। জীবননগর মটরশ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সেক্রেটারি মেহের মোল্লা বলেন, ব্রীজটির যে অবস্থা যেকোনো সময় ব্রীজটি দেবে গিয়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে। প্রাণহানির আগেই ব্যস্ততম সড়কের এই ব্রীজটি সংস্কারের ব্যবস্থা করা উচিৎ। জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ অমল বলেন, আমি ব্রীজটি দেখেছি ব্রীজের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট ফাঁটল ও কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্রীজটি দিনে দিনে ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। দ্রুতই ব্যবস্থা না নিলে প্রাণহানির মতো বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে। এব্যপারে চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হায়দার বলেন, আপনার মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পারলাম। এব্যাপারে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না