সাম্প্রতিক
চুয়াডাঙ্গায় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের ৪৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
চুয়াডাঙ্গায় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের ৪৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের ৪৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের ৪৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের
৪৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :   বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চুয়াডাঙ্গা ইউনিটের ৪৬ তম বার্ষিক সাধারণ সভা-২০১৮ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টায় রেডক্রিসেন্ট ইউনিট চত্বরে এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২০১৯ সালের চক্ষু হাসপাতালের ১ কোটি ১২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা আয়-ব্যয়ের বাজেট পাশ করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা রেডক্রিসেন্ট ইউনিট ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৮ পেশ করেন ইউনিটের সেক্রেটারী ফজলুর রহমান। অনুষ্ঠানে রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সেলিম উদ্দিন খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, শহিদুল ইসলাম সাহান, অ্যাড. আকসিজুল ইসলাম রতন , অ্যাড শফিকুল ইসলাম ও চক্ষু কনসালটেন্ট ডা.এমবি আজম বক্তব্য রাখেন। এসময় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড. মোল্লা আব্দুর রশিদ, অ্যাড. রফিকুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান কবীর এবং ইউনিট অফিসার সাঈদ মোহাম্মদ শামীম রহমানসহ যুব রেডক্রিসেন্ট ও আজীবন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যুব রেডক্রিসেন্টের উপ-যুব প্রধান (১) জান্নাতুল নাঈমা ইউনিট চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
সভায় বিগত ৪৫ তম বার্ষিক সাধারণ সভার বার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন করা হয়। ২০১৭ সালের ইউনিট ও চক্ষু হাসপাতালের অডিট রিপোর্ট পেশ ও অনুমোদন করা হয়। ২০১৯ সালের রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের আয়-ব্যয় ৫ লাখ ২৬ হাজার টাকা ও চক্ষু হাসপাতালের ১ কোটি ১২ লাখ ৬৬ হাজার টাকা আয়-ব্যয় পেশ ও অনুমোদন করা হয়। সভায় চলতি বছরে ১২ জন আজীবন সদস্যদের মৃত্যুতে তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনায় ১মিনিটি দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন ও দোয়া করা হয। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মো. আব্দুল মজিদ। উম্মুক্ত আলোচনায় রেজাউল করিম মুকুট, নজরুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামান বক্তব্য রাখেন।
সাধারণ সভায় সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন. চুয়াডাঙ্গা চক্ষু হাসপাতাল খুলনা বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হাসপাতাল। এই হাসপাতালটি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হাসপাতাল হিসেবে গড়ে উঠবে এটি আশা করবো। চক্ষু হাসপাতালের উন্নয়নে আজীবন সদস্যরা ভুমিকা রাখতে পারেন। চক্ষু হাসপাতালের উন্নয়নে আপনাদের পরিচিত দানশীল ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতা করতে বলতে পারেন । এখানে জাকাতের টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। এর ফলে গরীব মানুষেরা চক্ষু চিকিৎসায় উপকৃত হবে। চক্ষু হাসপাতালে ১০ হাজার টাকা দিয়ে দাতা সদস্য হতে পারেন।
রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকন বলেন, কার্যনির্বাহী কমিটি নতুন নতুন সেবা দিতে পারে সে প্রত্যাশা রয়েছে। সুনাম অর্জন করতে পারবে যদি আজীবন সদস্যরা সহযোগিতা করেন। শুধু চক্ষু হাসপাতাল নয়, জেনারেল ফিজিসিয়ান করতে পারি সে চেষ্টা করতে পারি। থানা পর্যায়ে রোগী বাছাই করে চক্ষু হাসপাতালে অপারেশন করা যেতে পারে। বর্তমানে চক্ষু হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। ফলে, তিনতলা ভবন নির্মাণ হলে আউটডোরের ব্যবস্থা করা যাবে। সেবা মানুষের দৌঁড় গোড়ায় পৌঁছাতে পারি সে চেষ্টা থাকবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না