সাম্প্রতিক

চুয়াডাঙ্গায় যুবতী ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড


চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে এক যুবতী ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে আসামীর অনুপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডিত আসামী রাসেল হোসেন জীবননগর উপজেলার দেহাটি মোল্লাপাড়ার মৃত আব্বাস মুন্সির ছেলে।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার দেহাটি মোল্লাপাড়ার এক যুবতীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একই পাড়ার রাসেল হোসেন জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর রাসেল যুবতীকে বলে বিষয়টি কাউকে না জানাতে। কাউকে জানালে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়।

এরপর যুবতী ৭ মাসের গর্ভবতী হয়ে পড়লে সে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় যুবতী জীবননগর থানায় রাসেলকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জীবননগর থানার এসআই একরামুল হোসাইন রাসেলকে অভিযুক্ত করে ২০১৬ সালের ১০ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

আদালত ১৯ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রোববার দুপুরে আসামীর অনুপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দামন ট্রাইবুনালের বিচারক জিয়া হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন সন্তান সাবালোক না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্র তার সমস্ত দায়িত্ব পালন করবে। রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক। তিনি বলেন, আসামীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ রাষ্ট্র পক্ষ প্রমাণ করতে পারায় বিচারক এ রায় দেন। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।

উল্লেখ্য, আসামী ঘটনার পর থেকে পালাতক রয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।