চুয়াডাঙ্গায় অপহরনের ১০ দিন পর দুই স্কুলছাত্রী উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি ঃচুয়াডাঙ্গার পৃথক দুটি স্থান থেকে দুই স্কুলছাত্রী অপহরণের ১০ দিন পর পুলিশ উদ্ধার করেছে। সোমবার রাতে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে পুলিশ দামুড়হুদা উপজেলার বাজারপাড়া থেকে ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ইসলামপাড়া থেকে উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার দুপুরে স্কুলছাত্রীদের ডাক্তারি পরীক্ষা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে সম্পর্ণ করা হয়েছে। একই দিন তাদের ২২ ধারায় চুয়াডাঙ্গা আমলী আদালতের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই একরাম হোসেন জানান, গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার যাদবপুর গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে ও সরোজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী রুপা খাতুন(১৩) প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরছিল। এসময় একই গ্রামের বখাটে যুবক আব্দুল ওহাবসহ তার সহযোগিরা স্কুলছাত্রী অন্তরা খাতুনকে কুতুবপুর মাঠপাড়া থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর দিন স্কুলছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে চুয়াডাঙ্গা ইসলামপাড়া থেকে রুপা খাতুনকে উদ্ধার করে। ঘটনার সাথে জড়িতরা পালিয়ে যায়। স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তালতলা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে স্কুলছাত্রী অন্তরা খাতুন (১৬) স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। এসময় চুয়াডাঙ্গা পৌর এলকার জিনতলা মল্লিকপাড়ায় অন্তরা খাতুন পৌছালে পূর্ব থেকে অবস্থান নেওয়া দামুড়হুদা উপজেলার হেমায়েতপুর গ্রামের হাচানসহ তার অন্য সহযোগির মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায় তাকে।

স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে পরের দিন চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ সোমবার রাতে দামুড়হুদা বাজারপাড়া থেকে অন্তরা খাতুনকে উদ্ধার করে। মঙ্গলবার দুপুরে তার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পর্ণ করা হয়েছে এবং আমলী চুয়াডাঙ্গা আদালতে তার ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

সট ০১ একরাম হোসেন, এসআই সদর থানা চুয়াডাঙ্গা।
সট ০২ ডা. শামিম কবির, আবাসিক মেডিকেল অফিসার সদর হাসপাতাল চুয়াডাঙ্গা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না

error: Content is protected !!