সাম্প্রতিক

চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার

শাহাদাৎ হোসেন লাভলু: চুয়াডাঙ্গার আর্শিবাদ সরূপ মাথাভাঙ্গা নদীর অবস্থা সস্কটাপন্ন হয়ে উঠেছে। অসৎ জেলে ও এলাকার প্রভাবশালীরা নদীতে অসংখ্য কোমর বাঁধ দিয়েছে এর ফলে স্রোতস্বিনী নদীর চলন প্রায় থেমে গেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে নদীতে পলি মাটি জমে নদীটি খালে পরিনত হবে বলে অনেকে মন্তব্য করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেই প্রতি বছরে সময়িক ব্যবস্থা নেয়া হলেও অপরাধীদের কোনো শাস্তি না, হওয়ায় তা বার বারি, অবহ্যাত থাকে বলে, ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, জানাগেছে, মাথাভাঙ্গা নদীটি চুয়াডাঙ্গা জেলার এক মাত্র গৌরবময় স্মৃতি, এই নদীর কারণে এ জেলায় খরা বন্যার কোনোটি তেমন প্রভাব পরেনা। নদীটি কুষ্টিয়া অঞ্চলের পদ্মা নদীর শাখা। এই নদীটি চুয়াডাঙ্গা জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভারতে ঢুকেছে। সারা বছর স্রোতে বয়ে যায় মাথাভাঙ্গায়। কিন্তু ইদানিং প্রবাহ থমকে গেচ্ছে কতিপয়, মৎস্য লোভী জেলে ও প্রভাবশালীদের কোমর বাঁধের কারণে। এলাকাবাসী জানিয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার হাটুভাঙ্গা, হাটবোয়ালিয়া, নগরবোয়ালিয়া, ভাংবাড়িয়া কবর স্থান, ইউনিয়ন পরিষদ, ফ্রেরীঘাট,বামানগর, বাঁশবাড়িয়া, মহেশপুরে, পৌলতাডাঙ্গা, আঠারখাদা, অনুপনগর, নতিডাঙ্গা, জুগিরহুদা, গোয়ালবাড়িয়া, খুদিয়াখালী, শিয়ালমারি, কান্তপুর, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বোয়ালমারি, হাজরাহাটি, আলুকদিয়াসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে কয়েক শত কোমর বাঁধ দেয়া হয়েছে। আবারও কোথাও কোথাও দেখা যাচ্ছে আড়া আড়ি ভাবে কোমর বাঁধ দিয়ে জাল পেতে মাছ ধারা হচ্ছে। যার ফলে স্রোত আটকা পরে নদীর চলন থেমে গেছে প্রায়। ভুক্তভোগীরা জানায় প্রতি বছরে বর্ষা মৌসুম শেষে নদীতে পানি কমে এলে অসংখ্য কোমর বাঁধ দেয়া হয় নদীতে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে শ্রর্মিক দিয়ে কোমর বাঁধ অপসারণ করে থাকে। কিন্তু দোষিদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ কারণে প্রতি বছরে কোমর বাঁধ নির্মাণ অবহ্যাত রাখে কতিপয় মৎস্য লোভী প্রভাবশালীরা। এব্যাপারে ভাংবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাওসার আহমেদ বাবলু বলেন, মাথাভাঙ্গা নদীটি হলো আমাদের চুয়াডাঙ্গা জেলার গৌরবময় নদী যে সকল মৎস্য লোভীরা এই নদীতে কোমর বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে তাদের প্রশাসনিক শাস্তি হওয়া উচিত। অপরদিকে আলমডাঙ্গা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান বলেন মাথাভাঙ্গা নদীতে কোমর বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে আমি বিষটি শুনেছে, সে যে ব্যাক্তি হক না কেনো প্রশাসনের মাধ্যমে তাকে ধরে আইনে আওত্তায় এনে কোঠর ব্যবস্থা নিবো। এবং অল্প সময়ে আমরা নদী থেকে কোমর বাঁধ সরানো জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।