সাম্প্রতিক

ঘূর্ণিঝড় তিতলিতে লণ্ডভণ্ড ভারত, নিহত ৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতে ঘূর্ণিঝড় তিতিলির আঘাতে কমপক্ষে আটজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের সবাই অন্ধ্র প্রদেশের বাসিন্দা।

ঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ১৫০ কিলোমিটার বেগে দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় দুই রাজ্য অন্ধ্র প্রদেশ প্রদেশ ও উড়িষ্যায় আছড়ে পড়ে। সর্বশেষ খবরে এতে কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। এতে ধ্বংস হয়েছে শত শত ঘরবাড়ি। গাছ উপড়ে পড়ায় অনেক এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

তিতলির আঘাতে দুই রাজ্যেই প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে নানা সর্তর্কতা ব্যবস্থা নেয়ায় উড়িষ্যায় তুলনামূলক কম ক্ষতি হয়েছে।

অন্ধ্র প্রদেশে ধ্বংস হয়ে গেছে শত শত ঘরবাড়ি। উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। অন্ধ্র প্রদেশের স্থানীয় এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, ৬ থেকে ৭ হাজার খুঁটি উপড়ে পড়েছে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। ফলে ওই রাজ্যের ৪-৫ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। ঝড়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির হাহাকার চলছে। ঝড়ে রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হচ্ছে সিরকাকুলাম জেলা।

তিতিলিতে উড়িষ্যা রাজ্যেও প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে সেখানে কোনো হতাহতের খবর মেলেনি। এখানেও বহু বাড়ি ও গাছপালা ধ্বংস হয়েছে। ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। উপেড়ে পড়া গাছ সরিয়ে রাস্তা পরিস্কারের কাজ চলছে।

তিতলি আঘাত হানার আগেই উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের নির্দেশে রাজ্যের উপকূলীয় ৫ জেলার ৩ লাখের বেশি লোকজনকে সরিয়ে আনা হয়েছিল। তাদের ১১০০টি আশ্রয় কেন্দ্রে জায়গা দেওয়া হয়েছে।

পূর্ব সতর্কতা হিসেবে বুধবার সেখানকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। ঝড়ের ভয়াবহ তাণ্ডবের পর রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আগামী এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন উড়িষ্যার শিক্ষা কর্মকর্তারা।

সূত্র: বিবিসি

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না

error: Content is protected !!