সাম্প্রতিক

এককভাবে নির্বাচন করতে দেবেন না মওদুদ

দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে, তাতে সর্বস্তরের জনগণ সমর্থন করেছে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘জাতীয় ঐক্য সরকারকে সংলাপ ও নির্দলীয় সরকার গঠনে বাধ্য করবে।’

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘একুশে আগস্ট বোমা হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ফরমায়েশি রায় প্রত্যাহারের’ দাবিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মানববন্ধনে একথা বলেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এককভাবে করতে দেওয়া হবে না এবং ২০১৪ সালের মতো হবে না বলে মন্তব্য করে সরকারের উদ্দেশ্যে মওদুদ বলেন, ‘আমরা মাঠে নামলে আপনারা বুঝতে পারবেন, কার পক্ষে জনগণ  রয়েছে। আমরা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনবো।’

ক্ষমতায় গেলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ যে দুটি আইন করা হয়েছে, তা বাতিল করবেন বলেও জানান তিনি।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও সুলতানা আহমেদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মওদুদ দাবি করেন, ‘জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে আন্দোলন আরো বেগবান হবে এবং খালেদা জিয়া মুক্তিলাভ করবেন। দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। মানুষ মানবিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে।’

একুশে আগস্ট মামলার রায় নিয়ে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘এই হামলা জাতীয় ট্র্যাজেডি, মর্মান্তিক ঘটনা, আমরা এই ঘটনার বিরোধিতা করছি। কিন্তু সরকার এই মামলার রায়কে রাজনৈতিক কারণে অগ্রহণযোগ্য করে ফেলেছে। যার উদাহরণ তারেক রহমানের দূরতম সম্পর্ক না থাকার পরও তার বিরুদ্ধে সাজা দেওয়া।’

‘তারেক রহমান দেশে ফিরে আসবেন, তিনি আপিল করবেন এবং জামিন পাবেন। তিনি হাইকোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে খালাস পাবেন’ বলেও আশাবাদী বিএনপির সিনিয়র এ নেতা।

সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘সবাইকে সভা-সমাবেশের সুযোগ দেওয়া হলেও আমাদেরকে দিচ্ছে না। ওয়ার্কার্স পার্টিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের সুযোগ দেওয়া হয়, চরমোনাইয়ের পীরকে সুযোগ দেয়, জাতীয় পার্টিকেও আজ সুযোগ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু আমাদেরকে দেওয়া হয় না। ২৩ অক্টোবর সিলেটে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশের কথা ছিল। কিন্তু প্রথমে অনুমতি দিলেও পরে প্রত্যাহার করেছে ।‘

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল প্রকাশ করা হবে না