সাম্প্রতিক

সাম্প্রতিকীর ডট কমের সাথে সাক্ষাৎকারে যা বললেন আলমডাঙ্গা থানার- ওসি

সাম্প্রতিকীর ডট কমের সাথে  সাক্ষাৎকারে যা বললেন আলমডাঙ্গা থানার- ওসি

সাম্প্রতিকীর ডট কমের সাথে সাক্ষাৎকারে যা বললেন আলমডাঙ্গা থানার- ওসি

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খানের সাথে সাম্প্রতিকীর এক সৌজন্য সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকারটি সাম্প্রতিকীর পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল হলো। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন: সহ- সম্পাদক শাহ আলম মন্টু, আরশীনগর প্রতিনিধি আতিক বিশ্বাস।

সাম্প্রতিকী: প্রথমে মুসলমানদের সব থেকে বড় ধর্মীয় পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি আপনাকে।
ওসি: আপনাকে সহ সাম্প্রতিকি পরিবারকে আমাদের আলমডাঙ্গা থানার পক্ষ থেকে ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা।
সাম্প্রতিকী: ঈদ উপলক্ষে আপনার পরিকল্পনা কী?
ওসি: ঈদ উপলক্ষে আলমডাঙ্গা বাসী সহ ঘর মুখো দুর পাল্লার যানবাহনে আগত যাত্রীদের নিরাপত্তা মুলক বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। পাশাপাশি আলমডাঙ্গা উপজেলা ব্যাপি ২০৭ টি ঈদ গা ময়দানে সুষ্ঠ ভাবে জামায়াত অনুষ্ঠানের জন্য তিন স্তরের নিরাপত্তা মুলক ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
সাম্প্রতিকী: ঈদের নামাজ পড়বেন কোথায় ?
ওসি: দারুস সালাম ঈদগা মাঠ।
সাম্প্রতিকী: আগামি ১৪ জুন শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। কোন দলকে সাপোর্ট করছেন ?
ওসি: আমার জন্য বিব্রতকর ও কঠিন প্রশ্ন, এই কারনে যে, বাংলাদেশে একটি ব্যাপক জনগোষ্ঠি বিশ্বের বিভিন্ন ফুটবল টিমের উগ্র সমর্থক রয়েছে। সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্লা ধাওয়া, কিংবা দাংগা মারামারির ঘটনাও বিরল নয়। বিধায় প্রশ্নটির উত্তর ঠিক আমার সাথে যায় না।
সাম্প্রতিকী: ঈদের আগে এই যে অনেকগুলো সফল মাদক বিরোধী অভিযান চালালেন। আলমডাঙ্গা এএখন বলা যেতেই পারে যে, মাদক নিয়ন্ত্রিত শহর। আপনি কী মনে করেন ঈদে যুব সমাজের উপর এর প্রভাব পড়বে ?
ওসি: আমি গত ২৯/১০/২০১৭ খ্রি: তারিখ আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসাবে যোগদানের পর অপরাধ প্রবনাতা গুলো্র মধ্যে ভয়াবহ পর্যায়ে থাকা মাদক ব্যবসায়ীদের অবাধ বিচরন ক্ষেত্র চিহ্নিত করি এবং একই সময়ে আলমডাঙ্গা উপজেলায় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর দুজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা যথাক্রমে: জনাব মীর শহিদুল ইসলাম, চীফ অব এসবি, বাংলাদেশ পুলিশ, জনাব মো: শফিকুল ইসলাম, চীফ অব কাউন্টার টেররিজম, বাংলাদেশ পুলিশ মহোদয় দুজনই আলমডাঙ্গা থানা পরিদর্শন করেন। দুজন কর্মকর্তা আমাদের মাদকের বিরুদ্ধে অবিরাম অভিযান পরিচালনা করনের নির্দেশনা দেন এবং যে কোন মুল্যে আলমডাঙ্গা উপজেলাকে মাদকমুক্ত উপজেলা হিসাবে তাহারা দেখতে চান মর্মে জানান। এই নির্দেশনা পাওয়ার পর অদ্যবধি আমরা মাদক নিয়ে যে কাজ করেছি এবং এ ব্যাপারে কতটুকু সফলতা পেয়েছি তার মুল্যায়ন আলমডাঙ্গাবাসী করবেন। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা বলতে পারি বাংলাদেশের যে কোন উপজেলার মাদকের অবস্থার চেয়ে আলমডাঙ্গা উপজেলার মাদকের অবস্থা অনেক ভাল। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বলতে যা বুঝায় তা আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে করা কিংবা বলা হয়েছে। এ ছাড়া এ বিষয়টিতে আলমডাঙ্গা উপজেলার সকল শ্রেনী পেশার মানুষের অবদান আছে। মাননীয় হুইপ মহোদয় মাদকের বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ কঠোরতা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করেন। ইতি মধ্যে আপনারা জেনেছেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।মাদক একেবারেই নির্মুল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। আমরা সফলকাম হবো ইনশাল্লাহ।
সাম্প্রতিকী: ঈদে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি কেমন থাকবে?
ওসি: আলমডাঙ্গা উপজেলার সকল বড় বড় বাজার, বাসষ্ট্যান্ড, রেল ষ্টেশন, মহা সড়ক, আঞ্চলিক সড়ক, ঈদ গা ময়দান সহ সকল গুরুত্বপূর্ন স্থানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দু স্তরের নিরাপত্তা সহ কড়া নজরদারী থাকবে।
সাম্প্রতিকী: ঈদে ইভটিজিং’র হার বেড়ে যায়। এটা রোধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কী?
ওসি: হ্যা। এ বিষয়ে বিশেষ নিরাপত্তামুল্যক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিকী: আলমডাঙ্গার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান নিয়ে কী ভাবছেন ? বিশেষ করে আট কপাট, পার্ক ও বধ্যভূমি।
ওসি: বিশেষ পুলিশী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিকী: আলমডাঙ্গা উপজেলাবাসি ও সাম্প্রতিকী ডট কম’র পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।
ওসি: অতি অল্প সময়ে আপনাদের সফলতা লক্ষনীয় ও ঈর্ষনীয় পর্যায়ে পৌছেছে। উপজেলাবাসী এবং সাম্প্রতি ডট কম এর পাঠকরা আপনাদের দ্বারা সংগৃহীত বস্তু নিষ্ঠ তথ্য সম্বলিত সংবাদ পেয়ে উপকৃত হবে। সকলকে সাম্প্রতিকি ডট কম এর সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
ধন্যবাদ।

error: Content is protected !!